ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য চাপ বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমরা চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছি। মঙ্গলবার (০৯ জুন) বাস্কেটবল খেলা দেখে নিউ ইয়র্ক ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, আমার মনে হয়, আমরা খুব দারুণ, শক্তিশালী ও কার্যকর চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি।
তিনি বলেন, আমরা গিয়ে বোমা ফেলতে চাইলে তা খুব সহজেই করতে পারি। আমরা যদি আরও দুই-তিন সপ্তাহ বোমা হামলা চালাই, তাহলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এতে করে কয়েক মাস পর্যন্ত প্রণালিটি বন্ধ থাকবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যদি আমরা বোমা হামলা করি, তাহলে বহু মানুষ মারা যাবে। কে এমনটা করতে চায়? আমি চাই না। আমরা এমন একটি লিখিত চুক্তিতে পৌঁছাতে চাই যা বোমা হামলার চেয়েও বেশি শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, অবরোধ অত্যন্ত কার্যকর বিষয় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এটি বোমাবর্ষণের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী বলে প্রমাণিত হয়েছে। এটি ছিল মূলত আমাদের প্রাথমিক আক্রমণ ও পরবর্তী অবরোধের একটি সম্মিলিত ফল। বর্তমানে ইরানের অর্থনীতি সত্যিই বিপর্যস্ত। তারা একটি সমঝোতায় আসতে চলেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ‘নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টির’ কারণে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলো। ইইউ’র পররাষ্ট্র নীতি প্রধান কাজা কালাস সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, শান্তি আলোচনা এবং ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির চক্রে আটকে আছে মধ্যপ্রাচ্য। হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের ড্রোন জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মন্ত্রীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানের এই পদক্ষেপগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
কালাস আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত ইরানি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইইউ জোট। জোটের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে।
সূত্র: আলজাজিরা
এমটিআই/এমবি
