বিজ্ঞাপন

একদিনে ৩ দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প, কী বলছেন বিশেষজ্ঞ

একদিনে ৩ দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প, কী বলছেন বিশেষজ্ঞ

বিশ্বজুড়ে একদিনে তিন দেশে পৃথক পৃথক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এরমধ্যে জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার, ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ৫ দশমিক ৬ একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। একইদিনে পৃথক পৃথক অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ায় এগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ক্যালটেকের ভূকম্পবিদ ড. লুসি জোন্সের বরাতে জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনার মধ্যে কোনো ধরনের যোগসূত্র নেই।  

তিনি বলেন, ভূমিকম্পগুলো পৃথক ফল্ট সিস্টেম এবং প্লেট সীমানায় সংঘটিত হয়েছে। এর অর্থ হলো একটির কারণে অন্যটি ঘটেনি। হাজার হাজার মাইল দূরে সংঘটিত বড় ভূমিকম্পগুলো সাধারণত অন্য কোথাও আরেকটি বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বাড়ায় না।

জোন্স বলেন, সময়কালটি কাকতালীয় মিলে গেছে। কিন্তু স্থানগুলো ভিন্ন ভিন্ন রয়েছে। প্রতিটি ভূমিকম্প সক্রিয় প্লেট সীমানা বরাবর আঘাত হেনেছে। এসব এলাকায় কয়েক দশক এমনকি শতাব্দী ধরে চাপ তৈরি হচ্ছিল। 

তিনি বলেন, অঞ্চলগুলোতে বড় ভূমিকম্প প্রাকৃতিক চক্রের একটি প্রত্যাশিত ঘটনা। যদিও ভূমিকম্প ঠিক কখন একটি ঘটবে তা সঠিকভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করা অসম্ভব।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১০টা ০৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এ ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এতে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদিও কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য জানায়নি।

সূত্র: সিএনএন 

এমবি