বিজ্ঞাপন

গোপন নথি অব্যবস্থাপনা, ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টার দোষ স্বীকার

গোপন নথি অব্যবস্থাপনা, ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টার দোষ স্বীকার

গোপন নথি অব্যবস্থাপনার দায়ে দোষ স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। তার বিরুদ্ধে গোপন নথি ভুলভাবে ব্যবহারের ১৮টি অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে হয়েছে, নিজের একটি বইয়ের জন্য তৈরি করা নোটে অত্যন্ত গোপনীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য ভুলভাবে ব্যবহারের দায়ে দোষ স্বীকার করেছেন বোল্টন। বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত বোল্টন শুরুতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন।

শুক্রবার তিনি অবৈধভাবে গোপন তথ্য নিজের কাছে সংরক্ষণ করার একটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তার কাছে থাকা নথিপত্রের মধ্যে জাতীয় প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য ছিল।

প্রসিকিউটররা বলেছেন, বোল্টনের সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়া তাকে ২২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা, জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান এবং ১০০ ঘণ্টা জনসেবামূলক কাজ করতে হতে পারে। আগামী ২৮ অক্টোবর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

শুনানি শেষে মার্কিন অ্যাটর্নি কেলি হেইস বলেন, বোল্টন গোপন নথির সুরক্ষার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন। তিনি জানতেন, এ ধরনের সংবেদনশীল তথ্যের অব্যবস্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে। তা সত্ত্বেও তিনি জাতীয় নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে আইন লঙ্ঘন করেছেন।

২০১৯ সালে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদে বোল্টনকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে তিনি নিজের লেখা ‘দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড’ বইয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তৎকালীন হোয়াইট হাউস বইটির প্রকাশনা বন্ধ করার জন্য মামলা করেছিল। তাদের দাবি ছিল, বইটিতে গোপন তথ্য রয়েছে। তবে বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে দেন এবং কয়েক দিন পরই বইটি প্রকাশিত হয়।

ট্রাম্প প্রশাসনে যোগ দেওয়ার আগে জন বোল্টন জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গত জানুয়ারিতে তার সিক্রেট সার্ভিসের নিরাপত্তা সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি

এমবি