বিজ্ঞাপন

ত্রিপুরায় চট্টগ্রামের দম্পতি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে ‘কষ্টে’ থাকায় অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশ, বলতে পারলেন না সমস্যা কী

বাংলাদেশে ‘কষ্টে’ থাকায় অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশ, বলতে পারলেন না সমস্যা কী

অবৈধভাবে প্রবেশ করায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে চট্টগ্রামের এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। সন্তনু দেবনাথ ও তার স্ত্রী দাবি করেছেন, বাংলাদেশে তারা কষ্টে ছিলেন। এ কারণে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ভারতে প্রবেশ করেছেন। কিন্তু তারা কী ধরনের কষ্টে ছিলেন তা বলতে পারেননি।

ত্রিপুরার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ত্রিপুরা টাইমস গত ২৫ জুন এক প্রতিবেদনে জানায় বাংলাদেশি সন্তনু ও তার স্ত্রীকে একটি বাস থেকে আটক করা হয়। এ সময় সন্তনু দাবি করেন তারা বাংলাদেশে অনেক কষ্টে আছেন। কিন্তু অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করায় তাদের পরবর্তীতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এখন দেশটির আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সন্তনু বলেন, “বাংলাদেশে আমরা অনেক কষ্ট সহ্য করেছি। সেখানে আমাদের বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ভালো ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আমরা সীমান্ত অতিক্রম করার সিদ্ধান্ত নেই।”

তিনি আরও বলেছেন, “কলেজের পিকনিকে গিয়ে আমি মাটিরাঙ্গা সীমান্ত (খাগড়াছড়ির কাছে অবস্থিত) সম্পর্কে জানতে পারি। যেখান দিয়ে মানুষ ভারতে যেতে পারে। আমি আমার স্ত্রীকে বলি যেহেতু বাংলাদেশে থাকা আমাদের পক্ষে আর সম্ভব নয়। তাই আমাদের একটি সুযোগ নেওয়া উচিত। আমরা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করি এবং নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে বাসে চড়ি। কিন্তু এই যাত্রার মধ্যেই আমাদের আটক করা হয়।”

তবে বাংলাদেশে তিনি ও তার পরিবার কী ধরনের কষ্টে ছিলেন সে ব্যাপারে সন্তনু কিছুই বলেননি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ত্রিপুরা টাইমস।

ত্রিপুরার দেবদ্রু থানার ওসি এ ব্যাপারে বলেছেন, “আমাদের কাছে তথ্য ছিল। এর ভিত্তিতে বাসটি আটকাই। এ সময় দুজনকে সন্দেহজনক আচরণ এবং ভাষায় অসঙ্গতি থাকায় আটক করা হয়। কাগজপত্র দেখাতে বললে আমরা আরও অনেক অসঙ্গতি লক্ষ্য করি। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তারা জানান তারা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা। তারা ভারতীয় নাগরিকত্ত্বের কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি।”

ওসি আরও বলেছেন, “তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও দুটি বাংলাদেশি সিম উদ্ধার করা হয়। কীভাবে তারা ভারতে প্রবেশ করল এ ব্যাপারে আরও তদন্ত করা হবে।”

সূত্র : ত্রিপুরা টাইমস

এমটিআই