বিজ্ঞাপন

গাজার ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর চার সদস্যকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

গাজার ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর চার সদস্যকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

গাজায় যুদ্ধবিরতি চলাকালেও ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির দাবি, এসব হামলায় গত এক সপ্তাহে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের চার যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর গাজায় চালানো হামলায় হামাসের চার যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নিহত চারজনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তারা হলেন ওয়ায়েল মাহমুদ আলী লাবাদ, মুয়াজ মোহাম্মদ হাসান আহমদ, সামেহ আবু কামিল এবং আকরাম আশরাফ হামাদ লাবাদ।

আল জাজিরা জানিয়েছে, নিহত চারজন হামাসের যোদ্ধা ছিলেন বলে দাবি করা হলেও এর পক্ষে ইসরায়েল কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী সোমবার হামাসের ব্যবহৃত লঞ্চার ও লঞ্চ শ্যাফটগুলোতেও হামলা চালিয়েছে। এর ফলে সেগুলো অকার্যকর হয়ে গেছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে ইরান জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, চুক্তি লঙ্ঘন করা হলে ইরান সন্দেহাতীতভাবে তার জবাব দেবে।

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার জবাব না দিয়ে আমরা থাকব না। আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী ইতোমধ্যেই তা প্রমাণ করেছে। ইরানের ওপর যেকোনো হামলার তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো হামলা চালায়, তাহলে সেটি সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারার লঙ্ঘন হবে। এ ধরনের লঙ্ঘন বারবার ঘটতে থাকলে তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় অন্তত ৭৩ হাজার ৬৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৪ জন। এর মধ্যে গত বছরের অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর থেকে ১ হাজার ৫৩ জন নিহত হয়েছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

এমবি