ভেনেজুয়েলায় হার্ট অ্যাটাকে মারা যাওয়া এক ভারতীয়র মরদেহ তার নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। তবে মরদেহ আসার পর রাকেশ চৌহানের পরিবারের সদস্যরা তার শরীরে বড় বড় সেলাই দেখতে পান। এরপর পরীক্ষা করে দেখেন তার শরীরের বড় কোনো অঙ্গপ্রতঙ্গই নেই।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বুধবার (১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত মে মাসে ৩৩ বছর বয়সী রাকেশ চৌহানের মৃত্যু হয়। রাকেশ পেশায় একজন নাবিক ছিলেন। ভেনেজুয়েলায় অবস্থানকালে হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান।
এমন ভয়াবহ বিষয়টি সামনে আসার পর ভারতের কেন্দ্রীয় নাবিক ফেডারেশন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আসল কারণ খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছে।
নাবিক ফেডারেশন এক্সে এক বিবৃতিতে বলেছে, রাকেশের মরদেহ তার হোমটাউন উত্তর প্রদেশের দিওরিয়াতে পাঠানো হয়। কিন্তু মরদেহের সঙ্গে ময়নাতদন্তের কোনো নথি ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।
এতে করে তার পরিবার ভারতে পুনরায় ময়নাতদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে ভয়াবহ তথ্য বের হয়— তার শরীরে একটি অঙ্গও ছিল না। ব্রেন নেই, হার্ট নেই, দুটি ফুসফুসের একটিও নেই, লিভার, কিডনি, প্লীহা, অগ্ন্যাশয়, পাকস্থলী, অন্ত্র, থাইরয়েড, হাইয়েড, স্বরযন্ত্র এবং শ্বাসনালী কিছুই ছিল না।
ভারতীয় কেন্দ্রীয় নাবিক ফেডারেশন আরও বলেছে, মরদেহে আগে থেকেই অনেক সেলাই ছিল। ঘাড় থেকে পিউবিক সিমফাইসিস পর্যন্ত ২২টি এবং এক কান থেকে আরেক কান পর্যন্ত ২১টি সেলাই ছিল। মরদেহটি দীর্ঘ এক মাস ডিপ ফ্রিজে রাখা হয়। যেহেতু শরীরে কোনো অঙ্গপতঙ্গই ছিল না তাই মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।
সূত্র: এনডিটিভি
এমটিআই
