সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইরান সরকার। ধারণা করা হচ্ছে এতে দুই কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হবেন।
সপ্তাহব্যাপী হতে যাওয়া এ আয়োজনে সাধারণ মানুষের জন্য অস্থায়ী তাঁবু ও খাবার বিতরণের মতো কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
তবে কিছু ইরানির কাছে এসব মূল্যহীন। তারা প্রশ্ন করেছেন, এই আয়োজনকে কেন তারা গুরুত্ব দেবেন? যখন সাধারণ মানুষ নিজেরাই যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত।
তাদের একজন ৩৮ বছর বয়সী আর্টিস্ট কাভেহ। তিনি সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেছেন, “এই আয়োজন হতাশা ছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য আর কিছুই বয়ে আনবে না। কথিত সুযোগ-সুবিধা, অস্থায়ী তাঁবু, ভ্রাম্যমান টয়লেট, জরুরি ইন্টারনেট, ফাস্ট লজিস্টিক, খাবার কোনোদিনই সাধারণ ইরানিদের সত্যিকার বিপদের সময় (বন্যা অথবা ভূমিকম্পে) দেওয়া হয়নি।”
“কিন্তু এখন— যুদ্ধ পরবর্তী বিধ্বস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে তারা সেই একই সাধারণ মানুষের অর্থ এক স্বৈরাচারের (খামেনি) জন্য ব্যয়বহুল অনুষ্ঠানে ব্যয় করছে। এগুলো সাধারণ মানুষের পকেট থেকে চুরি ও তাদের প্রোপাগান্ডা ছাড়া আর কিছুই না।”
এলনাজ নামে ৩২ বছর বয়সী এক রঙমিস্ত্রি বলেছেন, “আমাদের মতো মানুষ— যাদের জীবন সাধারণ এবং সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই— তাদের প্রাত্যাহিক জীবন খামেনি জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় সত্যিকার অর্থে পরিবর্তিত হয়নি। তাই এই অনুষ্ঠান কেন আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হবে তা বোধগম্য নয়।”
সূত্র: আলজাজিরা
এমটিআই
