ইউরোপের নেতাদের বর্বর ও অসভ্য হিসেবে অভিহিত করে এক ইরানি আইনপ্রণেতা বলেছেন, সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিনের পাশে ইউরোপীয় বর্বরদের দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি।
গতকাল শুক্রবার তেহরানের গ্র্যান্ড মুসল্লায় খামেনি ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মরদেহবাহী কফিন রাখা হয়। এতে বিদেশি অতিথিরা শ্রদ্ধা জানান। যারমধ্যে আরব ও মুসলিম বিশ্বের নেতা ছাড়াও চীন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরাও ছিলেন। কিন্তু ইউরোপের কেউ শ্রদ্ধা জানাননি।
মোজতবা জারেই নামে এ আইনপ্রণেতা বলেছেন, ইউরোপীয়দের তারা দাওয়াত দেননি।
আজ শনিবার (৪ জুলাই) মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে তিনি লিখেছেন, “আমরা ইউরোপের বর্বর ও অসভ্য কোনো নেতাকে খামেনির কফিনের পাশে দাঁড়াতে দেইনি।”
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির কথা উল্লেখ করে এ আইনপ্রণেতা আরও বলেছেন, তারা দুজন ইচ্ছে করেই ইউরোপের নেতাদের সভ্য দেশের মধ্যে ধরেননি এবং তাদের দাওয়াতও দেননি। কারণ ইউরোপীয়রা খামেনিকে হত্যা করার পরও চুপ ছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
এদিকে ইউরোপের কোনো নেতা খামেনির শেষ বিদায়ে আসার ঘোষণা দেননি এবং গতকাল শুক্রবার তাদের কাউকে খামেনির কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করতেও দেখা যায়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন খামেনি। এর চার মাস পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে শেষ বিদায় জানানো হচ্ছে।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল
এমটিআই
