ইন্দোনেশিয়া সফরে গেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোবো সুবিয়ান্তো তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, জাকার্তায় অবতরণের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমানকে ইন্দোনেশিয়ার বিমানবাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান এসকর্ট দেয়। আকাশসীমায় তাকে এফ-১৬ ও সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।
এফ-১৬ একটি ক্ষিপ্রগতিসম্পন্ন, একক-ইঞ্জিনবিশিষ্ট মার্কিন যুদ্ধবিমান। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ ধরনের বিমান ব্যবহার করে আসছে। অন্যদিকে সুখোই-৩০ রাশিয়ায় নির্মিত অপেক্ষাকৃত বড়, দুই আসনবিশিষ্ট ও দুই-ইঞ্জিনযুক্ত যুদ্ধবিমান। এটি শীতল যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত ছিল। ভারতের বিমানবাহিনীতেও সুখোই-৩০এমকেআই সংস্করণের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান রয়েছে।
জাকার্তায় অবতরণের পর মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট প্রাবোবো সুবিয়ান্তোর উষ্ণ অভ্যর্থনায় আমি অভিভূত।
মোদি বলেন, ২০১৮ সালে আমরা আমাদের সম্পর্ককে একটি ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করেছি। এর সুফল দুই দেশের জনগণ পেয়েছে। এ সফরেও প্রেসিডেন্ট সুবিয়ান্তোর সঙ্গে বিভিন্ন খাতে এ অংশীদারত্বকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে আলোচনা করব।
তিনি বলেন, সফরে আমি ও প্রেসিডেন্ট সুবিয়ান্তো ইয়োগিয়াকার্তার প্রাম্বানান মন্দির চত্বর পরিদর্শন করব। এর মাধ্যমে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থানকালে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময়ের প্রত্যাশা করছি।
— NDTV (@ndtv) July 6, 2026
এর আগে গত মার্চে ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছিল, ভারতের কাছ থেকে ব্রাহ্মোস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে।
২০২২ সালে ভারত প্রথমবারের মতো ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র রপ্তানি করে। সে সময় ফিলিপাইনের সঙ্গে প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
এমবি
