বিজ্ঞাপন

ইরানের দুই দ্বীপে হামলা

ইরানের দুই দ্বীপে হামলা

ইরানের কিশ এবং কেশম দ্বীপ লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ইরানি সংবাদমাধ্যমে বরাতে আলজাজিরা এ তথ্য জানায়।

গত তিনদিন এই দ্বীপগুলোতে বার বার হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনারা। এরমধ্যে আজ আবারও হামলা হলো। নতুন হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য দেয়নি ইরান।

কেশম দ্বীপ ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের যতগুলো দ্বীপ আছে তার মধ্যে এটি সর্ববৃহৎ। এই দ্বীপকে ব্যবহার করে হরমুজে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে তেহরান। ধারণা করা হয় সেখানে প্রচুর অস্ত্র ও মিসাইল মজুদ করে রেখেছে তারা। ফলে যুক্তরাষ্ট্র বারবার সেখানে হামলা চালাচ্ছে।

ইরান বাদে সবার জন্য হরমুজ খোলা, ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানের ওপর নতুন করে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ মঙ্গলবার থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই নৌ-অবরোধ আরোপ হলেও এটি শুধুমাত্র ইরানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ট্রাম্প বলেছেন, ইরান বাদে বাকি সব দেশের জন্য হরমুজ খোলা।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ থেকে ২০ শতাংশ ফি আরোপের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটি থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ফি এর বদলে আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করবে। যা দিয়ে দেশটিতে অনেক কল-কারখানা ও চাকরি তৈরি হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ ব্যাপারে দীর্ঘ পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর দুর্দান্ত শক্তির কারণে (মধ্যপ্রাচ্য থেকে) তেল এখন এমনভাবে প্রবাহিত হচ্ছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। আমাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, সেনাপ্রধান ড্যান কেইন এবং সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারকে বিশেষ অভিনন্দন। তাদের এবং বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর সকল সদস্যের কারণে হরমুজ প্রণালি এখন সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত, শুধু ইরানের জাহাজ ছাড়া। আর এর কারণ হলো দেশটির মিথ্যাবাদী, হিংস্র ও ক্ষতিকর নেতৃত্ব, যা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা ইরানি বন্দর থেকে আসা-যাওয়া করা অথবা ইরানি পণ্য বহনকারী সব জাহাজের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা (অবরোধ) জারি করব।”

সূত্র: আলজাজিরা

এমটিআই