সৌদি আরবের একটি নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে সাডা প্রদেশের আকাশে ড্রোনটি ‘যথাযথ অস্ত্র’ ব্যবহার করে মাটিতে নামিয়ে আনা হয় বলে জানিয়েছে এ সশস্ত্র গোষ্ঠী।
হুতি সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে টেলিগ্রামে এ ব্যাপারে এক বিবৃতিতে বলেছেন, সাডা প্রদেশের ওপর শত্রুতাপূর্ণ কার্যক্রম চালাচ্ছিল ‘কারাইয়েল’ মডেলের একটি ড্রোন। এ সময় এটিকে টার্গেট করা হয়।
তিনি আরও বলেছেন, হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যাবে এ্বং কেউ যদি এটি লঙ্ঘন করার চেষ্টা করলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যা তাদের বৈধ অধিকার।
ইরাকে সৌদি ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা
সৌদি আরবের বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে ইরাকে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার সকালে ‘ইরান সংশ্লিষ্ট’ সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।
তারা দাবি করেছে, সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের নির্দেশনায় ইরাকি গোষ্ঠী সৌদির জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। আর এর জবাব হিসেবে তাদের ওপর পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।
সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে এ ব্যাপারে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদির যুদ্ধবিমান পূর্ব ইরাকের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসী অবকাঠামো ও অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। গত ৭২ ঘণ্টায় বিপ্লবী গার্ডের নির্দেশনায় চালানো ৩০টি ড্রোন হামলার জবাবে এ হামলা হয়েছে।
সেন্ট্রাল কমান্ড আরও বলেছে, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ইরান সংশ্লিষ্ট ইরাকি গ্রুপ যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদির নাগরিক ও অবকাঠামোর ওপর ছয়শরও বেশি হামলা চালিয়েছে। মার্কিন বাহিনী বলেছে, যদি ইরাকি গোষ্ঠী আরও শিকার না হতে চায় তাহলে তাদেরও সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা বলেছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে হামলা হয়েছে। আর এতে টার্গেট করা হয়েছে ইরাকি মিলিশিয়াকে। যারা সৌদির পেট্রোলিয়াম অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।
এরআগে গত সোম ও মঙ্গলবার সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ এবং রিয়াদ অঞ্চলের পেট্রোলিয়াম অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা হয়।
সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তুর্কি আল মালিকি বলেছেন, সৌদি আরব আর উত্তেজনা বৃদ্ধি চায় না। কিন্তু ইরাকি মিলিশিয়ারা যদি পাল্টা হামলা চালায় তাহলে তারা এর জবাব দেবেন।
সূত্র: আলজাজিরা
এমটিআই
