সদ্য শেষ হওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে অভিযান চালিয়ে মোট ৯০৫ জন মানব পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ ও কাস্টমস পুলিশ যৌথবাহিনী। সেই সঙ্গে মানব পাচারের শিকার ১৮০ জনকে উদ্ধারও করা হয়েছে।
উদ্ধার ১৮০ জনের মধ্যে ৩০ জনই শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক। গত কাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টুর্নামেন্টের এক মাস যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দফায় দফায় অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ-কাস্টমস পুলিশ যৌথ বাহিনী। সেসব অভিযানেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এসব পাচারকারী এবং পাচারের শিকারদের।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো বড় আসরকে কেন্দ্র করে যে বড় আকারে মানবপাচারের ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে— সে সম্পর্কে আগে থেকেই গোয়েন্দা তথ্য ছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের কাছে। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে নজরদারি এবং অনলাইন মনিটরিংয়ের পাশপাশি ‘আন্ডারকভার’ অভিযানও পরিচালনা করা হয়েছে।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (মন্ত্রী) লরেন বিস বিবৃতিতে বলেছেন, “যখন মার্কিন এবং আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীরা ফিফা বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট উপভোক করছিল, (যুক্তরাষ্ট্রের) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নারী ও পুরুষ সদস্যরা তখন দেশজুড়ে মানবপাচার বিরোধী অভিযানে ব্যস্ত ছিল।”
কোন শহর থেকে কতজন মানব পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিংবা কতজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে দুটি শহরের তথ্য জানা গেছে— মিয়ামি এবং আটলান্টা। এ দুই শহর থেকে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যথাক্রমে ১৭৮ জন এবং ১৫৩ জন মানবপাচারকারীকে।
মানবপাচারকারদের বিরুদ্ধে অভিযান এখনও জারি আছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন লরেন বিস।
