বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

‘ভারতের মাটিতে হাসিনার বক্তব্য, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর’

‘ভারতের মাটিতে হাসিনার বক্তব্য, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর’

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে ভারত কথা বলতে দেওয়ায় এর নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলাল এ অনুমতির নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হাসিনাকে কথা বলার যে সুযোগ ভারত সরকার দিয়েছে এটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ক্ষতিকর।

আলাল বলেন, “আমরা গুরুতরভাবে এটির নিন্দা জানাই। ভারত সরকার হাসিনাকে যে অনুমতি দিয়েছে সেটিরও নিন্দা জানাই আমরা। এই অনুমতি দুই দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং খারাপ। ৫ আগস্ট আমাদের গণতন্ত্রের জন্য বড় বিজয়। এটি বাংলাদেশের জনগণের অংশগ্রহণমূলক সরকার এবং বাংলাদেশের জনগণের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের নতুন যাত্রার দিন।”

তিনি দণ্ডিত পলাতক সকল আওয়ামী নেতাদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের দাবি করেছেন। আলাল বলেছেন, “দণ্ডিত হাসিনা এবং দণ্ডিত অন্যান্য যারা ভারতে আছেন তাদের বাংলাদেশে ফেরত দেওয়া উচিত। তাদের বাংলাদেশের সরকারের কাছে হস্তান্তর করা উচিত।”

এছাড়া হাসিনাপুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের মন্তব্যেরও জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, “শেখ হাসিনার ছেলেও বলেছে ভারতের পূর্বদিকের অঞ্চল এখন পাকিস্তান হয়ে গেছে। তিনি এতে বাংলাদেশকে বুঝিয়েছেন। যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং রাষ্ট্রবিরোধী (বক্তব্য)।”

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক হাসিনা গতকাল দিল্লিতে একটি সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। ভারত তাকে এমন সুযোগ দেওয়ায় এর কঠোর নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে সেখানেই আশ্রিত অবস্থায় আছেন তিনি। বাংলাদেশে যেহেতু তার বিচার হয়েছে তাই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল তাকে যেন কোনো ধরনের বক্তব্য দিতে না দেওয়া হয়। কিন্তু ঢাকার এ আহ্বান রাখেনি নয়াদিল্লি।

হাসিনা বক্তব্য দেওয়ার আগেরদিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেছিলেন এক সাংবাদিক। জবাবে তিনি বলেছিলেন, এটি একটি বেসরকারি সংস্থার আয়োজন। এতে হাসিনা যা বলবেন সেটিকে ভারত সমর্থন জানাবে না।

সূত্র: এএনআই

এমটিআই

বিজ্ঞাপন