বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান-সৌদির সঙ্গে সামরিক চুক্তি আঙ্কারার

মক্কা চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশের উদ্দেশ্যে নয়, বলল তুরস্ক

মক্কা চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশের উদ্দেশ্যে নয়, বলল তুরস্ক

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক নিজেদের মধ্যে নতুন সামরিক চুক্তি করেছে। আজ শুক্রবার সৌদি আরবে ‘মক্কা চুক্তি’ নামে এ চুক্তিটি হয়। এতে বলা হয়ছে, এই তিন দেশের কারও ওপর যদি কোনো হামলা হয় তাহলে এটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধারণা করা হচ্ছে, ইরান ও তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সৌদি আরবে হামলা থেকে নিবৃত করতে চুক্তিটি করা হয়েছে।

তবে তুরস্ক দাবি করেছে, মক্কা চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে বা উদ্দেশ্য করে করা হয়নি। এটি মূলত এই তিন দেশের যৌথ নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করবে এবং শত্রুদের হামলা থেকে বিরত রাখবে।

এ ব্যাপারে তুরস্কের প্রেসিডেন্সির কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর বুরহানেত্তিন দুরান এক্সে লিখেছেন, “মক্কা চুক্তিটি নির্দিষ্ট কোনো দেশকে উদ্দেশ্য করে করা হয়নি; এর মূল লক্ষ্য হলো যৌথ নিরাপত্তা ও সম্মিলিত প্রতিরোধব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা।”

এরমাধ্যমে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি সৌদিকে নিরাপত্তা দেবে না : ইরান

মক্কা চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের এক আইনপ্রণেতা বলেছেন, এই চুক্তি সৌদি আরবকে নিরাপত্তা দেবে না। যদি তারা নিরাপত্তা চায় তাহলে তাদের নীতি পরিবর্তন করতে হবে।

ইব্রাহিম রেজাই নামে এ আইনপ্রণেতা এক্সে লিখেছেন, “সৌদিদের অবশ্যই জানা উচিত তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে একটি কাগুজে চুক্তি তাদের নিরাপত্তা দেবে না। যেমনটা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বছরের পর বছর একপাক্ষিক সম্পর্ক তাদের কোনো নিরাপত্তা এনে দেয়নি।”

“আপনারা (সৌদি আরব) নিজেদের নীতিতে সংস্কার আনুন যেন অন্যদের কাছে নিরাপত্তা ভিক্ষা না চাইতে হয়।”

ইব্রাহিম রেজাই ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা এবং পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য।

সূত্র: আলজাজিরা

এমটিআই