বিজ্ঞাপন

ইয়েমেনের মোখা বন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের মিসাইল-ড্রোন হামলা

ইয়েমেনের মোখা বন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের মিসাইল-ড্রোন হামলা

ইয়েমেনের লোহিত সাগর তীরবর্তী মোখা বন্দরে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুতি বিদ্রোহীরা। দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযানের ঘোষণা দেয় হুতিরা। এরপর আজ রোববার (৯ আগস্ট) এ বন্দরে হামলার ঘটনা ঘটল।

সংবাদমাধ্যম ইয়েমেন টুডেকে বন্দরটির পরিচালক জানিয়েছেন, বন্দরের বেসামরিক অবকাঠামোতে একাধিক মিসাইল আঘাত হেনেছে।

হুতিরা এখন পর্যন্ত এ হামলার বিষয়টি স্বীকার করেনি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

পাকিস্তান-তুরস্ককে কঠিন শিক্ষা দেওয়ার হুমকি হুতির

সৌদি আরবের তেল উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আরামকোর একটি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সৌদিতে বিদ্রোহীরা এমন সময় হামলা চালাল, যখন মাত্র একদিন আগে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে ‘মক্কা চুক্তি’ নামে একটি সামরিক জোট গঠন করেছে সৌদি।

 এই চুক্তিতে বলা আছে, তিন দেশের কারও ওপর অন্য কেউ যদি হামলা চালায় তাহলে এই হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

চুক্তির আওতায় পাকিস্তান ও তুরস্ক এখন এগিয়ে আসতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে দেশ দুটিকে হুমকি দিয়েছে হুতিরা। তারা বলেছে, যদি ইয়েমেনের ভৌগলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন ও ইয়েমেনি জনগণের বিরুদ্ধে পাকিস্তান-তুরস্ক কোনো ধরনের আগ্রাসন চালায় তাহলে তাদের কঠিন জবাব দেওয়া হবে।

আলজাজিরা বলেছে, হুতি কমান্ডারা বলেছেন, “যদি পাকিস্তান ও তুরস্ক ইয়েমেনের ভৌগলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘনের পরিকল্পনা করে এবং ইয়েমেনি জনগণের বিরুদ্ধে সৌদির আগ্রাসনের সঙ্গে যুক্ত হয় তাহলে তাদের কঠোর শিক্ষা দেওয়া হবে।

এরমাধ্যমে হুতিরা মূলত বার্তা দিয়েছে সৌদির বিরুদ্ধে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে এবং সৌদির সবচেয়ে ‘মূল্যবান রত্ন’ আরামকোর তেল স্থাপনা ও তেল পরিবহনের অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে যাবে।

সৌদিতে সরাসরি হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনে থাকা দেশটির মিত্র শক্তি সরকারি সেনাবাহিনীর ওপরও হামলা চালাচ্ছে হুতিরা। এরমধ্যে মারিব ও হারদামাউতে দুইদিন আগে টানা কয়েক ঘণ্টা হামলা চালিয়েছে তারা।

নতুন করে আবারও মারিব এবং তাইয়িবে লড়াই চলছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: আলজাজিরা

এমটিআই