বিজ্ঞাপন

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অবসান চায় কিয়েভ, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রস্তাব

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অবসান চায় কিয়েভ, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রস্তাব

ইউক্রেন রাশিয়ার সঙ্গে সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান চায় বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এ লক্ষ্যে কিয়েভ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রস্তাব হস্তান্তর করেছে। বুধবার (১২ আগস্ট) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার জেলেনস্কি এ প্রস্তাব জমা দেওয়ার ঘোষণা দেন। এর আগে ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় দেশই জানিয়েছিল, মার্কিন আলোচকেরা শিগগিরই তাদের দেশ সফর করবেন।

রাতের ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা মার্কিন পক্ষকে আমাদের প্রস্তাবগুলো জানিয়েছি।’

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, বিশেষ করে বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে মস্কোর ওপর চাপ বাড়াতে পারে। এতে রাশিয়া যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার পরিবর্তে এর অবসানের জন্য প্রস্তুতি নিতে বাধ্য হবে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, প্রস্তাব সম্পর্কে জেলেনস্কি কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

২০২২ সালে শুরু হওয়া ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধের আলোচনা মূলত থমকে গেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে। মার্কিন আলোচক স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সর্বশেষ জানুয়ারিতে মস্কো সফর করেছেন এবং এখনো কিয়েভ সফর করেননি।

বছরের পর বছর ধরে চলা লড়াইয়ে ইউক্রেন বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। রাশিয়া বলছে, তারাও এ যুদ্ধের সমাপ্তি চায়। তবে এজন্য ইউক্রেনকে মস্কোর দাবি করা চারটি অঞ্চল পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হবে এবং সংঘাতের ‘মূল কারণগুলোর’ সমাধান করতে হবে।

নিজের ভাষণে জেলেনস্কি রাশিয়াকে আগামী মাসের সংসদীয় নির্বাচনকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে আরেকটি বড় আকারের সামরিক সমাবেশের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্যও অভিযুক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘তারা শরতে সংসদীয় নির্বাচনের ঠিক পরেই সৈন্য সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ ধরনের সমাবেশের মাধ্যমে তারা এমন একটি ধারণা তৈরি করতে চায় যে রুশরা দৃশ্যত যুদ্ধকে সমর্থন করছে।’

তবে মস্কোর কর্মকর্তারা এর আগেই সেনা সমাবেশের প্রয়োজনীয়তার কথা অস্বীকার করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া চার বছর আটক থাকার পর সাবেক মার্কিন মেরিন সেনা রবার্ট গিলম্যানকে মুক্তি দিয়েছে।

তিনি বলেন, পুতিন মানবিক কারণে ৩২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে সম্মত হয়েছেন। এর বিনিময়ে ওয়াশিংটন কোনো বন্দিকে মুক্তি দেয়নি।

সূত্র : আল জাজিরা 

এমবি