বিজ্ঞাপন

পুনরায় যুদ্ধে ফেরার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে ইয়েমেন, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

পুনরায় যুদ্ধে ফেরার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে ইয়েমেন, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইয়েমেন এখন যেকোনো সময়ের তুলনায় নতুন করে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের এক দূত এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইয়েমেনবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গ সাধারণ পরিষদকে বলেন, দেশটির বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সামরিক তৎপরতা তীব্রতর হয়েছে। এসব হামলায় সামরিক ও বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর যোদ্ধারা মারিব, হাজরামাউত, আল-মাখা (মোচা) ও অন্যান্য অঞ্চলে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।

এডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী তাইজে হুথিদের একটি হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে। পাশাপাশি বুধবার সরকার বেশ কয়েকটি গভর্নরেটে হুথি বাহিনীর বিরুদ্ধে কামান ও ড্রোন হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে।

বুধবার ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের (পিএলসি) প্রধান বলেন, হুথিদের প্রতিটি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক জবাব’ দেওয়া হবে।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত পক্ষগুলোকে অবিলম্বে উত্তেজনা কমাতে এবং একটি শক্তিশালী ও টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

গ্রুন্ডবার্গ সতর্ক করে বলেন, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর হুথিদের নতুন করে হামলা ইয়েমেনকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে ফেলার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করার পর থেকেই ইয়েমেন সংঘাতে জর্জরিত। এর পরের বছর সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট দেশটিতে হস্তক্ষেপ করে এবং সংঘাতটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে রূপ নেয়।

২০২২ সালে হুথি ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। যুদ্ধবিরতিটি এখন পর্যন্ত মূলত কার্যকর রয়েছে।

গ্রুন্ডবার্গ বলেন, ২০২৩ সালে বৃহত্তর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি স্থায়ী চুক্তির দিকে যে অগ্রগতি হচ্ছিল, তা থমকে যায়।

সূত্র : আল জাজিরা

এমবি