যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগের পর ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট পুনরায় ক্ষমতাগ্রহণ করে তালেবান। এরপর কেটে গেছে পাঁচ বছর।
এ নিয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। তিনি দাবি করেছেন, আফগানিস্তানের জনগণ বর্তমান সরকারকে নিয়ে সন্তুষ্ট এবং বর্তমান ইসলামিক সরকারের দেশব্যাপী সমর্থন রয়েছে।
এছাড়া বর্তমান সরকারকে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ হিসেবে অভিহিত করে মুক্তাকি বলেছেন, যেহেতু পুরো দেশজুড়ে তাদের সমর্থন রয়েছে তাই বিরোধীদের সঙ্গে সংলাপের কোনো প্রয়োজন নেই।
তিনি বলেন, “গত পাঁচ বছরে দেশের ৩৪টি প্রদেশ, ৪০০ জেলা এবং হাজার হাজার গ্রামে কোনো সমস্যা হয়নি। যদি কোনো গ্রামে সমস্যা হয়, তা সেখানেই থাকে। যার অর্থ সাধারণ মানুষ সরকারের প্রতি খুশি।”
তালেবান সরকারের আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুক্তাকি বলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের ৪০টি সক্রিয় দূতাবাস এবং কনস্যুলেট রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান আফগান সরকারকে অন্যান্য দেশগুলোর স্বীকৃতি দেওয়া না দেওয়া তাদের বৈদেশিক নীতির ওপর নির্ভর করে।
মুত্তাকি বলেন, “জাতিসংঘের নিয়মে কি বলা আছে যে কোনো সরকার 'অন্তর্ভুক্তিমূলক' হলেই কেবল তার স্বীকৃতি মিলবে, আর তা না হলে মিলবে না? আজ বিশ্বজুড়ে আমরা কি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সরকার দেখছি না? বংশানুক্রমিক শাসন কি নেই? ব্যক্তিকেন্দ্রিক সরকার কি দেখা যায় না? জাতিসংঘে যদি সতিই এমন কোনো নিয়ম থেকে থাকে, তবে তা আমাদের দেখানো হোক এবং প্রমাণ করা হোক যে এটি মেনে চলা বাধ্যতামূলক।”
নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আফগান মন্ত্রী বলেছেন, বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের আর সাধারণ স্কুলে পড়ার সুযোগ নেই। তবে তারা ধর্মীয় স্কুল বা মাদরাসায় উচ্চশিক্ষা নিতে পারছে। যেখানে আধুনিক বিভিন্ন বিষয়ও পড়ানো হয়।
সূত্র: তোলো নিউজ
এমটিআই
