বিজ্ঞাপন

ইরাকি কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামলা

ইরাকি কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামলা

ইরাকের উত্তরাঞ্চলের কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের (কেআরজি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সোমবার কেআরজির নিরাপত্তাবিয়ষক সংস্থার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ইরানের ভূখণ্ড থেকে কেআরজি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওই হামলা চালানো হয়েছে। তবে ড্রোন দুটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। একই সঙ্গে ওই হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠীও স্বীকার করেনি।

ইরান ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র বিভিন্ন গোষ্ঠী ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের বিরুদ্ধে ইরানি কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ করছে। এসব গোষ্ঠীকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে তেহরান। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে ইরাকি কুর্দি কর্তৃপক্ষ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মাসরুর বারজানি বলেছেন, ‌‌‘‘আমি এই দায়িত্বজ্ঞানহীন হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।’’ তিনি ওই হামলাকে বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য প্রত্যক্ষ হুমকি বলে অভিহিত করেছেন।

কুর্দিস্তান কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের তদন্তের বরাত দিয়ে বারজানি বলেন, তার ব্যক্তিগত কার্যালয় এবং অঞ্চলের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাড়িকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।

ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চল বারবার ড্রোন ও রকেট হামলার শিকার হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ওই অঞ্চলের তেলক্ষেত্রগুলোতে টানা চার দিনের ড্রোন হামলায় অর্ধেকেরও বেশি অপরিশোধিত তেল উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়; সেখানে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের সম্ভাব্য অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।

এর আগে, ২০২৪ সালের এপ্রিলে কুর্দিস্তান অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম খোর মোর গ্যাস ক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় চার ইয়েমেনি কর্মী নিহত, দুজন আহত হন। এছাড়া আঞ্চলিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ স্থগিত করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: রয়টার্স।

এসএস