ঘূর্ণিঝড় (তাইফুন) নাররার আঘাতে দক্ষিণ চীনের গুয়াংজি প্রদেশ এবং উত্তর ভিয়েতনামে বন্যা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে গুয়াংজি প্রদেশের ৫৪ হাজার মানুষ এবং উত্তর ভিয়েতনামের ৪ হাজার ৩০০টি পরিবার বন্যার কারণে বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় শিবিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। ভিয়েতনামে একজনের মৃত্যুও হয়েছে।
দক্ষিণ চীন ও উত্তর ভিয়েতনামের তীরবর্তী বেইবু উপসাগরের একটি নিম্নচাপ থেকে উদ্ভূত ঘূর্ণিঝড় নাররা আজ সোমবার ভোরে উত্তর ভিয়েতনামের উপকূলে আঘাত হানে। তবে ঝড় আঘাত হানা আগের আগের দিন, অর্থাৎ গতকাল রোববার দক্ষিণ চীনের গুয়াংজি এবং উত্তর ভিয়েতনামের দুই পার্বত্য প্রদেশ ল্যাং সন এবং কাও বাংয়ে টানা বর্ষণ শুরু হয়েছিল। ভিয়েতনামের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রোববার ২৪ ঘণ্টায় ল্যাং সন এবং কাও বাংয়ে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
ভিয়েতনামের পর্যটনশহর কুয়াং নিনেও দেখা দিয়েছে বন্যা। এই শহরটি জাতিসংঘের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনেস্কো ঘোষিত অন্যতম ‘ঐতিহ্যবাহী স্থান’ (হেরিটেজ সাইট)। ভিয়েতনামের সরকারি কর্মকর্তরা জানিয়েছেন, ঝড় ও বৃষ্টির কারণে প্রায় ৫৫ হাজার পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল ধ্বংস হয়েছে।
এদিকে ঝড়-বৃষ্টির জেরে চীনের দক্ষিণাঞলীয় প্রদেশ গুয়াংজির ১৫টি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। প্রদেশের চংজুও শহরে ইতোমধ্যে বন্যা শুরু হয়েছে।
চীন এবং ভিয়েতনাম— উভয় দেশেই উদ্ধারকারী বাহিনীর লোকজন উপদ্রুত লোকজনকে উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
সূত্র : রয়টার্স
এসএমডব্লিউ
