ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির কালিন্দি কুঞ্জ নামে একটি এলাকা থেকে ৩৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছেন তার বাবা। মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ছেলেকে একটি পরিত্যক্ত শিপিং কনটেইনারে নিয়ে হত্যা করেন তার ৬৪ বছর বয়সী বাবা।
আর এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকায় ওই বাবা ও তার সঙ্গে আরেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস রোববার (৩০ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়ের কালিন্দি কুঞ্জ থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে গত ২২ আগস্ট।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা প্রথমে ভিকটিমের মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে। এরপর শ্বাসরুদ্ধ করে তাকে হত্যা করে।
৬৪ বছর বয়সী ওই বাবা বলেছেন তিনি তার এক সহযোগীকে নিয়ে ছেলে গুল হাসানকে হত্যা করেছেন। গুল হাসান মানসিক সমস্যা ও সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন।
তিনি তার ছেলেকে চিকিৎসার কথা বলে বাড়ি থেকে বের করেন। এরপর পরিত্যক্ত ওই কনটেইনারে নিয়ে যান এবং সেখানে হত্যাকাণ্ড ঘটান।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ২৩ আগস্ট পুলিশ কনটেইনারের ভেতর অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ থাকার তথ্য পায়। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান মরদেহটির মাথায় গুরুতর জখম আছে এবং তা রক্তে ভেসে আছে।
পরে পুলিশ সিসিটিভির ফুটেজ চেক করে দেখতে পায়, তিনজন ব্যক্তি কনটেইনারে প্রবেশ করলেও; পরবর্তীতে দুজন বেরিয়ে আসেন।
কী কারণে নিজ ছেলেকে ওই বাবা হত্যা করেছেন সেটির কারণ বের করতে তদন্ত করা হচ্ছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
এমটিআই
