আলোচনা চলার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল। এরপর ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামোকে টার্গেট করে।
ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুলফজল শেখারচি দাবি করেছেন, তাদের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের এক হাজারের বেশি সেনা নিহত হয়েছে। তিনি বলেছেন, যুদ্ধের সময় ইসরায়েলের দখলকৃত অঞ্চলে থাকা গোয়েন্দা কেন্দ্র অন্যান্য স্থাপনায় হামলা চালিয়েছেন তারা।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেছেন, ইসরায়েলের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রেরও কয়েকশ সেনা নিহত ও কয়েক হাজার সেনা আহত হয়েছেন। কিন্তু ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র এগুলো গোপন রেখেছে।
গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, আফগানিস্তান ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব সেনা নিহত হয়েছিলেন তাদের মৃত্যুর তথ্য কয়েক বছর পর্যন্ত গোপন রেখেছিল দেশটি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী হলো ‘হলিউড আর প্রোপাগান্ডা আর্মি’। যাদের কাজ হলো মুসলিম দেশগুলো থেকে লুট করা।
ইরানি সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ এ কর্মকর্তা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি আছে এমন দেশসহ বিশ্বের সব দেশ বুঝতে পেরেছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক হামলা থেকে রক্ষা করতে পারবে না এবং তারা মার্কিনিদের ওপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।
এছাড়া হরমুজ নিয়েও সতর্কতা দিয়েছেন তিনি। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুলফজল শেখারচি বলেছেন, “হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে শুধুমাত্র স্বপ্নেই ভাবতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার প্রেসিডেন্ট।”
ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।
সূত্র: প্রেস টিভি
এমটিআই
