আগ্নেয় পর্বত আনাক ক্রাকাতাউয়ের অগ্ন্যুৎপাতের তেজ অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে আসার পর অবশেষে আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে চালু হয়েছে রাজধানী সোয়েকার্নো-হাট্টাসহ ৮টি বিমানন্দর। এতে হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন এসব বিমানবন্দরে আটকা পড়া ৩ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি যাত্রী।
আজ মঙ্গলবার ভোরের দিকে ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে এ তথ্য। মন্ত্রণালয়ের এক্স এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেও বিমানবন্দরগুলো ফ্লাইট অপারেশন ফের চালু হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠে ইন্দোনেশিয়ার দুই প্রধান দ্বীপ জাভা ও সুমাত্রাকে পৃথক করা সুন্দা প্রণালির একটি দ্বীপে অবস্থিত আগ্নেয় পর্বত আনাক ক্রাকাতাউ। এতে রাজধানী জাকার্তা, পুর্ব জাভা, পশ্চিম জাভা, সুমাত্রাসহ ইন্দোনেশিয়ার বিশাল অংশ জুড়ে ঘন ঘন মৃদুমাত্রার ভূমিকম্প শুরু হয়। এছাড়া অগ্ন্যুৎপাতের সময় বিপুল পরিমাণে গ্যাস, লাভা ও ছাইয়ের উদ্গীরণ শুরু হয়। রাজধানী জাকার্তাসহ বিভিন্ন এলাকা অগ্ন্যুৎপাতের ছাইয়ে ঢেকে যায়।
দ্বীপ জাভা ও সুমাত্রাকে পৃথক করা সুন্দা প্রণালির একটি দ্বীপে অবস্থিত আগ্নেয় পর্বত আনাক ক্রাকাতাউ। জাকার্তা থেকে আনাক ক্রাকাতাউয়ের দূরত্ব ১৫০ কিলোমিটার।
এ অবস্থায় রোববার থেকে সোয়েকার্নো-হাট্টাসহ ৮টি বিমানন্দরের ফ্লাইট উড্ডয়ন ও অবতরণে স্থগিতাদেশ দেয় ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়। এতে বাতিল হয় প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট। বিমানবন্দরগুলোতে যে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ যাত্রী আটকা পড়েছিলেন, তারা সবাই বাতিল হওয়া সেসব ফ্লাইটের যাত্রী।
ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরগুলোতে আটকা পড়া যাত্রীদের অধিকাংশই সিঙ্গাপুর, দোহা, সিডনি এবং কুয়ালালামপুর রুটের যাত্রী।
সূত্র : এএফপি
এসএমডব্লিউ
