ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে রাজধানী সানা পুনর্দখলে হামলা শুরু করেছে ইয়েমেনের সেনাবাহিনী। গতকাল সোমবার এ হামলার ইঙ্গিত দেওয়া হয়। এরপরই শুরু হয় হামলা।
গতকাল সোমবার তাইজ, আল-বায়দা এবং আল-জাওফে হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। যেগুলোর মধ্য দিয়ে রাজধানী সানার দিকে যাওয়া যায়।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনের সরকারের অধীনে সেনাবাহিনী পরিচালিত হয়। সানা পুনর্দখলে ইয়েমেনি সেনাদের সহায়তা করছে সৌদি আরব। সেনাবাহিনী বলেছে, সানাতে হুথিদের লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। এরপরই সেখানে তীব্র স্থল যুদ্ধ শুরু হয়।
২০১৪ সালে ইয়েমেনে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ থেকে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এর এক বছরের মধ্যে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর থেকে রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ তাদের কাছেই আছে।
সৌদি আরবে হুথিদের ভয়াবহ হামলায় আহত কমপক্ষে ৭৩
সানায় হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের সেনাদের অভিযান শুরুর পর সৌদি আরবে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে বিদ্রোহীরা। এতে অন্তত ৭৩ বেসামরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটি।
এক বিবৃতিতে সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার ভোরের দিকে সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় চার জেলা আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান এবং নাজরানের বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা করেছে হুথি বাহিনী। হামলায় আহতদের মধ্যে শিশু ও নারীরাও আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
পৃথক এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, ইরানের মদতপুষ্ট হুথি গোষ্ঠীর হামলায় আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাদশাহ খালিদ বিমান ঘাঁটি এবং আবহা ও জাজানে সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল উত্তোলন কোম্পানি আরামকোর স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনের আঘাতে বিমানবন্দর ও আরামকোর স্থাপনায় আগুন ধরে গিয়েছিল। আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর এই প্রথম সৌদিতে এত বড় আকারে হামলা চালিয়েছে হুথি গোষ্ঠী।
সূত্র: আলজাজিরা
এমটিআই
