বিজ্ঞাপন

এবার পশ্চিম তীরে ‘পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধের’ হুমকি ইসরায়েলি মন্ত্রীর

এবার পশ্চিম তীরে ‘পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধের’ হুমকি ইসরায়েলি মন্ত্রীর

প্রায় এগার মাস আগে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও এখনও তা পুরোপুরি ‍বাস্তবায়ন করেনি ইসরায়েল। এমন পরিস্থিতিতেই এবার ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর এলাকায় ‘পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধের’ হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় কাৎজ বলেছেন, “যদি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং ইহুদি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে ৭ই অক্টোবরের ধাঁচে কোনো সন্ত্রাসী হামলা করে, অথবা যদি আমরা নিশ্চিতভাবে জানতে পারি যে তারা তা শুরু করতে চলেছে — সেক্ষেত্রে পশ্চিম তীরে পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ হবে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং আমি আইডিএফকে এমন নির্দেশ দিয়েছি।”

এক প্রতিবেদনে ইসলায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪ নিউজ জানিয়েছে, পশ্চিম তীরে হামলা সংক্রান্ত একটি খসড়া পরিকল্পনার কাজ সম্পন্ন করেছে আইডিএফ। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হলে পশ্চিম তীরে ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, তাদের নিরাপত্তা বাহিনী এবং পশ্চিম তীরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে।

এক্স বার্তায় কাৎজ আরও বলেছেন, পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধের আওতায় সুপরিকল্পিত হত্যা, বেসামরিকদের বাস্তুচ্যুত করা, জঙ্গি স্থাপনা ধ্বংস করা এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতির মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

 এ কৌশলকে গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি নিরাপত্তা অঞ্চল এবং জেনিন ও উত্তর পশ্চিম তীরে অতীতের সামরিক অভিযানের সঙ্গে তুলনা করে এক্সবার্তায় কাৎজ বলেছেন, “এক সময় বছরের পর বছর ধরে ইন্তিফাদা (ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম) চলেছিল। আমরা সেই অতীতে আর ফিরে যাব না।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলীয় শহর নাবলুসের কাছে একটি ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর মঙ্গলবারের এক্সবার্তা দিয়েছেন কাৎজ।

নাবলুসের ছুরি হামলা সম্পর্কে আইডিএফ তাদের আনুষ্ঠানিক এক্স অ্যাকাউন্টে জানিয়েছে যে, “ছুরি হাতে এক সন্ত্রাসী উসারিনের কাছে একজন ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিককে ছুরিকাঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে।”

আইডিএফের এক্সবার্তায় আরও বলা হয় যে, ওই এলাকায় ইসরায়েলি সৈন্য পাঠানো হয়েছে এবং সেনাবাহিনী তাদের পিছু ধাওয়া শুরু করেছে ও আশেপাশের গ্রামগুলো ঘিরে ফেলেছে।

সূত্র : আরব নিউজ

এসএমডব্লিউ