বিজ্ঞাপন

ইয়েমেনে বিমান হামলা সৌদির

ইয়েমেনে বিমান হামলা সৌদির

ইয়েমেনের মারিব প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদিতে হামলা চালানোর পর এ হামলার ঘটনা ঘটে। মারিবের একটি অংশ হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তবে সৌদির হামলায় কেউ হতাহত হয়েছে কি না সেটি এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে হুতি সংশ্লিষ্ট একটি সংবাদমাধ্যম।

২০১৪ সালে ইয়েমেনে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। এরপর ২০১৫ সালে হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা দখল করে। আর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সৌদি আরবে পালিয়ে যান। এরপর হুতিদের পরাস্ত করে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনে ব্যাপক হামলা চালায়। কিন্তু হুতিরা তাদের নিয়ন্ত্রণ ছাড়েনি। এরপর ২০২২ সালে সৌদি ও হুতিদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে আর কোনো হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেনি।

তবে সম্প্রতি সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে হুতিদের লড়াই শুরু হলে সৌদি-হুতির উত্তেজনা আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এরমধ্যে আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে হুতিরা। এতে কমপক্ষে ৭৩ বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন। এরপরই শক্তিশালী হামলার হুমকি দিয়েছিল রিয়াদ। এর কয়েক ঘণ্টা পরই মারিবে হামলার ঘটনা ঘটল।

এক বিবৃতিতে সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার ভোরের দিকে সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় চার জেলা আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান এবং নাজরানের বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা করেছে হুথি বাহিনী। হামলায় আহতদের মধ্যে শিশু ও নারীরাও আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

পৃথক এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, ইরানের মদতপুষ্ট হুথি গোষ্ঠীর হামলায় আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাদশাহ খালিদ বিমান ঘাঁটি এবং আবহা ও জাজানে সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল উত্তোলন কোম্পানি আরামকোর স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

এমটিআই