ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরে দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ বসতির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইডি মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন।
তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনদের ভূখণ্ডে তৈরি অবৈধ বসতিতে উৎপাদিত কোনো পণ্য তারা আমদানি করবেন না।
এর জেরে যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার চারটি ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ ঘোষণা করেছেন।
এ দখলদার বলেছেন—
১। জেরুজালেমে থাকা যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেট বন্ধ করে দেবেন তারা।
২। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের কিরায়াত গাতে অবস্থিত আন্তর্জাতিক গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের বের করে দেওয়া হবে।
৩। ফিলিস্তিন অথিরিটি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে। যারা রামাল্লাহতে এ প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
৪। যুক্তরাজ্যের নির্বাচিত ১২ প্রতিনিধি ও অন্যান্য ব্রিটিশ নাগরিক যারা ইহুতি ও ইসরায়েল বিদ্বেষে জড়িত তাদের ইসরায়েলে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না।
এদিকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পার্লামেন্টে বলেছেন, পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারী (সেটেলার) সন্ত্রাসীরা জাতিগত নির্মূলের মতো অপরাধ করছে।
তিনি বলেন, ইসরায়েলি সরকার সেটেলার সন্ত্রাসীদের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উপেক্ষা করে যাচ্ছে।
ব্রিটিশ মন্ত্রী দখলদার ইসরায়েলের পশ্চিমতীরের দখলদারিত্বকে অবৈধ হিসেবেও ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনের যেসব ভূখণ্ডে ইসরায়েলিরা বসতি স্থাপন করেছে সেখান থেকে কোনো পণ্য আর যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করবে না। আর তাদের এই নিষেধাজ্ঞায় কানাডা ও ফ্রান্সও যুক্ত হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, “আমি মনে করি না আমাদের দেশের জনগণ দখলকৃত স্থান থেকে আসা পণ্য গ্রহণ করে ইসরায়েলি দখলদারিত্বকে সমর্থন করবে।”
এছাড়া ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিয়ে ইসরায়েলি সেটেলারদের কোনো বিজ্ঞাপনও প্রদর্শন যুক্তরাজ্যে করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র: বিবিসি
এমটিআই
