হাইকোর্টে এসে বিচার দাবি

কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় বিজিবি সদস্যকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

Dhaka Post Desk

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৯ জুন ২০২২, ০৪:১৯ পিএম


কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় বিজিবি সদস্যকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

নীলফামারীর এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় বিজিবি সদস্য মো. আকতারুজ্জামানকে চার সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে নিম্ন আদালতের আদেশ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন আদালত।

বুধবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি সাহেদ নুর উদদীনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে কিশোরীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট বদরুন নাহার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

গত ১৫ জুন নীলফামারী থেকে এক কিশোরী তার মাকে সঙ্গে নিয়ে হাইকোর্টে আসে ধর্ষণকারীর বিচার চাইতে। বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি সাহেদ নুর উদদীনের হাইকোর্ট বেঞ্চে সে বিচার দাবি করে। 

সেদিন সকালে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হলে ওই কিশোরী তার মাকে নিয়ে ডায়াসের সামনে এসে দাঁড়ায়। এ সময় আদালত তার কাছে জানতে চান, কী হয়েছে? আপনি কে? আপনি কী বলতে চান? আপনার সঙ্গে উনি কে? তখন ওই কিশোরী হাইকোর্টকে নিজের পরিচয় দেয়। 

ওই কিশোরী আদালতকে বলে, ‘আমার বয়স ১৫ বছর। উনি আমার মা। আমি ধর্ষণের শিকার। একজন বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদস্য আমাকে ধর্ষণ করেছে। কিন্তু নীলফামারীর আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন। আমরা গরিব মানুষ, আমাদের টাকা-পয়সা নেই। আমরা আপনার কাছে বিচার চাই।’

এ সময় আদালত ওই কিশোরীর কাছে জানতে চান যে, তার কাছে কোনো কাগজপত্র আছে কি না? ওই কিশোরী মামলার কাগজ আছে বললে আদালত উপস্থিত আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, এখানে লিগ্যাল এইডের কোনো আইনজীবী আছেন? তখন আদালতে উপস্থিত থাকা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী বদরুন নাহার দাঁড়ালে তাকে ওই কিশোরীর মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিতে নির্দেশ দেন। পরে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড থেকে কিশোরীর পক্ষে আপিল করা হয়।

এমএইচডি/আরএইচ

Link copied