• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

  1. আইন-আদালত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি

বিশেষ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি
২৭ আগস্ট ২০২৫, ১২:৪৫
অ+
অ-
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। পাশাপাশি এ বিষয়ে ‘আরও’ শুনানির জন্য আগামী ২১ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করেছেন সর্বোচ্চ আদালত।

বিজ্ঞাপন

আজ (বুধবার) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে এ বিষয়ে রিভিউ আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির পর আপিলের অনুমতি দেন বেঞ্চ। 

রিভিউ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান শুনানি করেন। 

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাজনৈতিক দল ও ছয় ব্যক্তির করা চারটি আবেদনের ওপর দ্বিতীয় দিনের শুনানি হয় আজ।

বিজ্ঞাপন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন— তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও।

এ ছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। 

আরও পড়ুন

ছোটবেলা থেকেই তুখোড় মেধাবী সারজিস আলমের শ্বশুর বিচারপতি লুৎফর রহমান
মা আমি মিছিলে যাচ্ছি, শহীদ আনাসের চিঠি পড়ে ট্রাইব্যুনালে কাঁদলেন নানা
বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তলব

পরবর্তীতে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর আরও একটি আবেদন করেন।

এমএইচডি/এনএফ/জেএস

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

সুপ্রিম কোর্ট

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

অবকাশকালীন চেম্বার কোর্ট গঠন

অবকাশকালীন চেম্বার কোর্ট গঠন

সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের পিতার মৃত্যুতে এবি পার্টির শোক

সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের পিতার মৃত্যুতে এবি পার্টির শোক

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ৬টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ৬টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার

উচ্চ আদালতে নারীর অগ্রযাত্রা : ন্যায়বিচারের আসনে ১২ বিচারপতি

উচ্চ আদালতে নারীর অগ্রযাত্রা : ন্যায়বিচারের আসনে ১২ বিচারপতি