• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম

গোপনীয়তার নীতিব্যবহারের শর্তাবলিযোগাযোগআমাদের সম্পর্কেআমরাআর্কাইভবিজ্ঞাপন

৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

+৮৮০ ৯৬১৩ ৬৭৮৬৭৮

phone+৮৮০ ১৩১৩ ৭৬৭৭৪২

whatsapp+৮৮০ ১৭৭৭ ৭০৭৬০০

info@dhakapost.com

বিজ্ঞাপন

  1. আইন-আদালত

স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেননি রাজসাক্ষী মামুন, দাবি শেখ হাসিনার আইনজীবীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:১৭
অ+
অ-
স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেননি রাজসাক্ষী মামুন, দাবি শেখ হাসিনার আইনজীবীর

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হননি। তাকে প্ররোচিত করা হয়েছে। এমনটিই দাবি করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শেখ হাসিনার মামলার মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরকে জেরার সময় এমন দাবি করেন তিনি। জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ৫৪তম বা সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন এই তদন্ত কর্মকর্তা।

সাক্ষীর উদ্দেশে আমির হোসেন বলেন, আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চাননি। বরং আমার মক্কেল শেখ হাসিনা ও কামালকে ফাঁসাতে আপনি ও তদন্ত সংস্থার অন্য সদস্যদের প্ররোচনায় তিনি এ কাজটি করেছিলেন।

জবাবে এসব সত্য নয় বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর। তিনি বলেন, নিজের ইচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। আমি বা তদন্ত সংস্থার অন্যান্য সদস্য কোনো ধরনের প্ররোচনা দেইনি।

বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনার এই আইনজীবীর ভাষ্যমতে, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে বহু সংখ্যক মানুষ নিহত-আহত হয়েছেন। কিন্তু জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে গুটিকয়েক ভুক্তভোগী পরিবারের।

এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রায় ১৫০০ জন নিহত ও ২৫ হাজার ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন। তাদের সব পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। তবে অনেকের সঙ্গে বলেছি। এর মধ্যে শহীদ পরিবারের ১০ জন এবং আহত পরিবারের ২২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।

আরও পড়ুন

রাজসাক্ষী হিসেবে সহায়তার শর্তে চৌধুরী মামুনকে ক্ষমা করেছে ট্রাইব্যুনাল
ট্রাইব্যুনালে আজ সাক্ষ্য দেবেন আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া মামুন

বিজ্ঞাপন

একপর্যায়ে এ মামলায় দাখিলকৃত জব্দ তালিকার তথ্যগুলো অসত্য বলে দাবি করেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন। জবাবে এটা সত্য নয় বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

এছাড়া, আমার দেশ পত্রিকায় অসত্য প্রতিবেদন ছাপানো হয়েছে অভিযোগ তুলে সাক্ষীকে প্রশ্ন করেন এই আইনজীবী। কেননা, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মামলায় কারাভোগ করেছেন মাহমুদুর রহমান। এজন্য শত্রুতাবশত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনি এ কাজ করেছেন। একইসঙ্গে ২০ ও ২১ এপ্রিল জব্দকৃত মোট ১৯টি ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) তৈরি বলেও দাবি করেন তিনি।

জবাবে এসব সত্য নয় বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর। তিনি বলেন, এসব ভিডিও এআই জেনারেটেড ছিল না।

এদিন বেলা পৌনে ১২টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা চলে। মাঝে কিছুক্ষণ বিরতি দেওয়া হয়। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) পর্যন্ত মুলতবি করেন ট্রাইব্যুনাল। অবশিষ্ট জেরা আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। 

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, তানভীর হাসান জোহা, ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।

এদিকে, এ মামলার অন্যতম আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আজও ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে। ৩৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে এরই মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি। তবে নিজের দায় স্বীকার করে আগেই হয়েছেন রাজসাক্ষী।

এমআরআর/এমজে

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

আইনজীবীআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালশেখ হাসিনাআওয়ামী লীগ

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের পিতার মৃত্যুতে এবি পার্টির শোক

সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের পিতার মৃত্যুতে এবি পার্টির শোক

চোখের সামনে তিনজনকে মরতে দেখি, ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাই

ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর জবানবন্দিচোখের সামনে তিনজনকে মরতে দেখি, ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাই

ছেলে হত্যায় সালমান-আনিসুলকে দায়ী করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা

ছেলে হত্যায় সালমান-আনিসুলকে দায়ী করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা

প্রশ্নের মুখে ট্রাইব্যুনাল, স্বচ্ছ তদন্তের তাগিদ

‘কোটি টাকার ঘুষ দাবি’প্রশ্নের মুখে ট্রাইব্যুনাল, স্বচ্ছ তদন্তের তাগিদ