কাঠগড়ায় প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন রাজসাক্ষী আবজালুল, পেলেন ক্ষমা

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ায় ক্ষমা পেয়েছেন আশুলিয়া থানার তৎকালীন এসআই শেখ আবজালুল হক।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এদিন সকালে মামলার ১৬ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আটজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে তাদের হাজতখানায় রাখেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে আট আসামিকেই ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসকক্ষের কাঠগড়ায় তোলা হয়।
কাঠগড়ায় ওঠার পর থেকেই এসআই শেখ আবজালুল হককে নীরবে তসবিহ জপতে দেখা যায়। তিনি এ মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। রায় ঘোষণার আগমুহূর্ত পর্যন্ত কখনও চোখ বন্ধ করে, আবার কখনও মাথা নিচু রেখে প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন তিনি।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার রায়ে সাবেক স্থানীয় এমপি সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুজনের সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ায় সার্বিক দিক বিবেচনায় আবজালুলকে ক্ষমা করে দেন ট্রাইব্যুনাল।
এমআরআর/এমএসএ