বিজ্ঞাপন

আসামিপক্ষের আইনজীবী

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ, আপিলে খালাসের আশা

অ+
অ-
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ, আপিলে খালাসের আশা

আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিন আসামির পক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। মামলার গুরুত্বপূর্ণ নানা প্রশ্নের উত্তর অজানা রয়ে গেছে উল্লেখ করে আপিলে নতুনভাবে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রায় ঘোষণার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা জানান।

আসামি আনোয়ার পারভেজ, এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়ের পক্ষে লড়েছেন আইনজীবী দুলু। রায়ের সংক্ষিপ্ত অংশ অনুযায়ী আনোয়ার পারভেজ একটি অভিযোগে হাজতবাসকালীন দণ্ড পেলেও বাকি অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছেন। আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে চারটি থেকে খালাস পেলেও একটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। 

বিজ্ঞাপন

দুলু বলেন, আবু সাঈদের জব্দকৃত গেঞ্জিতে গুলির কোনো ছিদ্র পাওয়া যায়নি বলে আমরা যুক্তিতর্কে তুলে ধরেছিলাম। এছাড়া গুলিবিদ্ধ হওয়ার স্বাভাবিক কোনো চিহ্ন লক্ষ্য করা যায়নি। মরদেহে এক্স-রে বা রেডিওলজিক্যাল পরীক্ষা না করায় গুলির অস্তিত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। একজন মানুষ গুলিতে নিহত হলে শরীরে সুস্পষ্ট প্রভাব থাকার কথা। কিন্তু এখানে সেই ধরনের আলামত অনুপস্থিত।

এই আইনজীবী বলেন, মামলায় আমরা লিখিত ও মৌখিক যুক্তিতর্কে যেসব ভিত্তিতে আসামিদের খালাস চেয়েছিলাম সেসব বিষয় পরিষ্কার হয়নি। কারণ আজ ‘সাবস্ট্যান্স অব ফাইন্ডিং’ এবং ‘অপারেটিভ পার্ট অব দ্য জাজমেন্ট’ ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থাৎ রায়ের ডিগ্রি ও শাস্তির অংশ শুনেছি আমরা।

তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি সংগ্রহের জন্য এরই মধ্যে আবেদন করা হয়েছে। রায় হাতে পাওয়ার পর বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে আপিল বিভাগে আপিল করা হবে। আশা করছি আপিলে ন্যায়বিচার পাবো।

বিজ্ঞাপন

এমআরআর/এমএল/এমএসএ