বিজ্ঞাপন

বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা : মামুন-আফজাল রিমান্ডে

অ+
অ-
বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা : মামুন-আফজাল রিমান্ডে

বিএনপির কর্মী মকবুল হত্যার অভিযোগে পল্টন মডেল থানার মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে একদিন এবং সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১২ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক রুকনুজ্জামান রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।

গেল ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি টিম রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে শেখ মামুনকে গ্রেপ্তার করে।

বিজ্ঞাপন

পরদিন দেলোয়ার হত্যা মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর গেল ৩১ মার্চ ছয় দিন এবং ৬ এপ্রিল তিন দিন এবং ৯ এপ্রিল মকবুল হত্যা মামলায় তার আরও তিন দিনের  রিমান্ড দেয় আদালত।

এদিকে ২৯ মার্চ গভীর রাতে ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে সেনাবাহিনীর সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি নিহতের মামলায় তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ এপ্রিল তিন দিন এবং ৮ এপ্রিল তাকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

রিমান্ড শেষে রোববার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই কফিল উদ্দিন। মামুন খালেদের একদিন এবং আফজাল নাছেরের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। মামুন খালেদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোরশেদ হোসেন শাহীন ও নজরুল ইসলাম পাখি এবং আফজাল নাছেরের পক্ষে তোফাজ্জল হোসেন (রোমেল) রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন।

শুনানি শেষে মামুন খালেদের একদিন এবং আফজাল নাছেরের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর একদফা দাবি আদায়ের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। এর আগে ৭ ডিসেম্বর ডিবি পুলিশের হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে অভিযান চালায়। কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। কার্যালয়ের পাশে থাকা হাজার হাজার নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। এতে মকবুল হোসেন নামে এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এনআর/এসএম

বিজ্ঞাপন