বিজ্ঞাপন

টিএসসিতে মিছিল থেকে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতাসহ দুইজন রিমান্ডে

টিএসসিতে মিছিল থেকে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতাসহ দুইজন রিমান্ডে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় মিছিল থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্যার এ এফ রহমান হল শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহান তানভীর নাছিফ ও তার সঙ্গে থাকা মাইক্রোবাস চালক রুবেল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ (সোমবার) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম রিমান্ডের এই আদেশ দেন।

গত ২ মে টিএসসিতে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ঝটিকা মিছিল করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। মিছিল থেকে নাছিফ ও রুবেলকে আটক করে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল হঠাৎ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হয়ে মিছিল ও ব্যানার প্রদর্শন করে। পরে তারা দ্রুত একটি কালো হায়েস মাইক্রোবাসে উঠে ওই স্থান ত্যাগ করে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা আরেকটি হায়েস গাড়ির চালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম।

এ ঘটনায় ওইদিনই শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাইনুল ইসলাম বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন। ওইদিন বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মনমথ হালদার তাদের দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির দিন আজ  ধার্য্য রাখেন।

এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের এক দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২ মে ভোর ৬টা ১০ মিনিটের দিকে টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের সামনে নিষিদ্ধ সংগঠনের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়। এসময় তারা সরকার কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ‘কালো আইন’ বাতিলের দাবিতে উস্কানিমূলক স্লোগান দিচ্ছিল। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাছিফ ও রুবেলকে একটি মাইক্রোবাসসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও ২০-২৫ জন পালিয়ে যায়।

এনআর/জেআই/এনএফ