বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, এটা ঠিক না।
বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিএনপির আইন সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, যে সব জুডিশিয়াল অফিসার সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের জন্য নিয়োজিত ছিলেন, গ্যাজেট দ্বারা তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কারণ যেহেতু অর্ডিনেন্সটি আইনে রূপান্তরিত হয়নি, পার্লামেন্টে পাশ হয়নি, সেহেতু উনারা এটা ফাংশন করে কীভাবে? সুতরাং, এটা স্বাভাবিকভাবে এটা তারা মিনিস্ট্রিতে অ্যাটাচড হবে। পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এর মানে এই না যে, এই সেপারেট সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্যে সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, এটা ঠিক না। কারণ সেপারেট সচিবালয়ের বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বা সেপারেশনের জন্য যে সমস্ত বিষয় বিষয়ে বিএনপি বক্তব্য আছে, বিএনপি বড় স্টেকহোল্ডার। ইতোপূর্বে যে কমিটি ছিল সেই কমিটিতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না। যার ফলে বিএনপির তরফে যে বক্তব্যগুলো, সেই বক্তব্যগুলো আসেনি, এবং যার ফলে বিএনপি মনে করছে অর্ডিনেন্সটা কমপ্রিহেনসিভ ছিল না। কাজেই এখন পার্লামেন্টে পরবর্তীতে বিএনপি এটাকে কমপ্রিহেনসিভ বিল আকারে আনবে এবং এটা পরিপূর্ণভাবে কার্যকারিতা লাভ করবে। এটা নিয়ে দুশ্চিন্তারও কারণ নেই। এ নিয়ে ভিন্ন রকম মন্তব্যেরও কারো কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
এটা আদালত অবমাননার শামিল কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আদালত অবমাননা হবে কেন। সংসদে এটা এখনো পাস হয়নি। বিএনপি তো বলেনি যে এটা আর করবে না। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বিল আকারে এমনভাবে আনবে যাতে পরে এনিয়ে আর কোনো বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে। এখানে আদালত অবমাননার কিছু নেই।
এমএইচডি/বিআরইউ
