বিজ্ঞাপন

সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসির রায়

অর্থদণ্ডের ৭ লাখ টাকা যাবে রামিসার উত্তরাধিকারীদের কাছে

অর্থদণ্ডের ৭ লাখ টাকা যাবে রামিসার উত্তরাধিকারীদের কাছে

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামি সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত রায়ে বলেছেন, অর্থদণ্ড হিসেবে আদায় করা মোট সাত লাখ টাকা নিহত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে। অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ওই অর্থ ভুক্তভোগীর উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

জানা গেছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাথে রায়ের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং আসামি স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, অর্থদণ্ড হিসেবে আদায় করা টাকা ভুক্তভোগী নিহত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। আদালতের রায়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা-ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা যায়।

এর আগে সকাল সাড়ে আটটার দিকে আসামি স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর বিচারক রায় পড়া শুরু করেন।

আরএইচটি/বিআরইউ