বিজ্ঞাপন

অ্যাটর্নি জেনারেল

হাইকোর্টে বিরতিহীন চলবে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার

হাইকোর্টে বিরতিহীন চলবে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, হাইকোর্টে বিরতিহীন ভাবে চলবে শিশু রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলার বিচার। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মামলা শুনানিতে কোন মুলতবি আবেদন করবো না।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেছেন। বিশেষ বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর আদালতে আজ রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে বলেছি, আমরা রামিসা হত্যা মামলার শুনানিতে কোনো মুলতবির আবেদন করবো না। বিরতিহীনভাবে শুনানি করব।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী রোববার হাইকোর্টের কার্যতালিকায় রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি থাকতে পারে।

এর আগে গত ৯ জুন রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুূদণ্ড (ডেথ রেফারেন্স) অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে আসে।

দুই আসামির ফাঁসির রায়ে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন স্বাক্ষরের পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

ফৌজদারি কোনো মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত।

গত ৭ জুন রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন আদালত। আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মৃত্যুদণ্ডের এ রায় ঘোষণা করেন।  

পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অর্থদণ্ড ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে।  ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিম মৃত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেন, হত্যার আগে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর তা প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় বোঝা যায়, সোহেল স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছে।স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন তার স্ত্রী স্বপ্না। অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা এবং তা প্রতিরোধে কোনো ভূমিকা না রাখার বিষয়টিও আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে।

এমএইচডি/জেডএস

বিজ্ঞাপন