বিজ্ঞাপন

অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার : শাহবাগ থানায় জিডি

অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার : শাহবাগ থানায় জিডি

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিয়ে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট, অপপ্রচারের ঘটনায় শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেলের পক্ষে তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন এ জিডি করেন।

জিডিতে বলা হয়, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল গত ১১ জুন সকাল ৯টায় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে অবস্থানকালীন ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে দেখতে পান জনৈক আইনজীবী এবিএম ইব্রাহিম খলিল একটি ফেসবুক আইডি দিয়ে তার মানহানি করার উদ্দেশ্যে তার নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ সংক্রান্ত একটি চিঠি আপলোড করে প্রকাশ করে। চিঠির বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মিথ্যা, কল্পনাপ্রসূত, পরস্পরবিরোধী ও অসংগতিপূর্ণ। উক্ত চিঠিতে তার বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে জানুয়ারি মাসে একটি মামলায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ করা হয়েছে, অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে একই চিঠির বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অঙ্ক উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ, তিনি গত ২৫ মে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হয়ে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। চিঠিতে তার নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে আর্থিক দুর্নীতির ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, চেম্বার-জজ এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের কার্যধারা ও কজলিস্ট বিষয়েও মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। উক্ত চিঠিটি সর্বপ্রথম উপর্যুক্ত অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম। খলিলের আইডি থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে জনৈক ফিরোজুর রহমান ওরফে ফিরোজপুর রহমানের কথিত স্বাক্ষর উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিটি কোনো দপ্তরে জমা দেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই। বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বিচার বিভাগের মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই এই ষড়যন্ত্রমূলক চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। কতিপয় ভূইফোড় ফেসবুক পেজ, গ্রুপ ও অনলাইন পোর্টালে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। উপর্যুক্ত ফেসবুক আইডি ও পেজগুলোর ভিত্তিহীন অপপ্রচারের ফলে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ও বিচার বিভাগের প্রতি জনমনে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচার বিভাগকে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল অত্র অফিসের দায়িত্ব নেওয়ার পরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও, ইতঃপূর্বে কতিপয় ব্যক্তি দুর্নীতির অভিযোগে অত্র অফিস থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছে। উপর্যুক্ত ঘটনায় জড়িত, দায়ী, অভিযুক্ত ও চাকরিচ্যুতদের সংশ্লিষ্টতা ও ইন্ধন থাকতে পারে। অতএব, উপর্যুক্ত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অপরাধী ও তাদের ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। 

এমএইচডি/জেডএস

বিজ্ঞাপন