বিজ্ঞাপন

জিজ্ঞাসাবাদে শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ নিয়ে যা বললেন সাংবাদিক রুপা-বাবু

জিজ্ঞাসাবাদে শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ নিয়ে যা বললেন সাংবাদিক রুপা-বাবু

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্ত সংস্থা। ওপর মহলের নির্দেশে সংবাদ করা হয়েছে জানিয়ে দুজনই নিজেদের দায় অস্বীকার করেছেন।

বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

সূত্র জানায়, শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের মামলায় চলতি সপ্তাহে একাত্তর টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু ও সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রূপাকে একদিন করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের দায় এড়িয়ে জানিয়েছেন, যা হয়েছে সবকিছু ওপরের নির্দেশেই করেছেন।

এছাড়া ৫ আগস্টের আগে-পরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও ফুটেজও তাদের দেখানো হয়। এর এসব ভিডিও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেন মোজাম্মেল বাবু।

এর আগে, ৭ জুন রুপা ও বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল-১। প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমতি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১০ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়।

এ মামলায় বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন ৯ জন। রুপা-বাবু ছাড়া অন্যরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ দেশের চারটি স্থানে ৫৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ ও কুমিল্লায় একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে তদন্ত সংস্থা।

এমআরআর/এমএন