বিজ্ঞাপন

ন্যায়বিচার পেলেন শহীদ-আহত পরিবারের সদস্যরা : রায়ের পর চিফ প্রসিকিউটর

ন্যায়বিচার পেলেন শহীদ-আহত পরিবারের সদস্যরা : রায়ের পর চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের এটি তৃতীয় রায়। আজ রামপুরার মামলার বিচার শেষে রায় প্রকাশিত হয়েছে। এ ঘটনায় দুজন শহীদ ও একজন গুরুতর আহত হয়েছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের এডিসি রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার ওসি মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছর ও এসআই তরিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আমিনুল ইসলাম বলেন, একটি বেতার বার্তার মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ঠেকানোর জন্য ছাত্র-জনতার পায়ে গুলি করতে অধীনদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান। তার মৌখিক নির্দেশনা এমন থাকলেও বাস্তবে বুকে ও মাথায় গুলি করা হয়েছে। অর্থাৎ ১৯ জুলাই রামপুরায় গুলি চালিয়ে এভাবে হত্যাকাণ্ড চালান মামলার আসামিরা। এতে প্রাণ হারান মায়া ইসলাম ও নাহিদ ইসলাম। এছাড়া কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে নির্বিচারে গুলি চালানোর কথা স্বীকার করেছিলেন চঞ্চল চন্দ্র সরকার। স্বীকারোক্তি অনুযায়ীই তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়। এজন্য তিনটি অভিযোগের একটিতে তাকে সাজা দেওয়া হয়। বাকি দুটিতে খালাস পান তিনি।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটি একটি যথার্থ রায় হয়েছে। আমরা এ রায়ে আপাতত সন্তোষ প্রকাশ করছি। একইসঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এ রায়ের মধ্য দিয়ে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।

এমআরআর/জেড্এস