বিজ্ঞাপন

ঘুষ নিয়ে ধরা : বেবিচকের সাবেক লাইসেন্স পরিদর্শকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

ঘুষ নিয়ে ধরা : বেবিচকের সাবেক লাইসেন্স পরিদর্শকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

পাইলট লাইসেন্স নবায়ন ও পরীক্ষায় সুযোগ করে দেওয়ার নামে এক লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার মামলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জুনিয়র লাইসেন্স পরিদর্শক এইচ. এম. রাশেদ সরকারকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী ইব্রাহিম জুয়েলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, এই ধরনের মামলার রায়ে একটি দৃষ্টান্ত উপস্থাপন হলো এবং আমরা আদালতের রায়ে খুবই সন্তুষ্ট। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

​মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ফিলিপাইন থেকে কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স (CPL) অর্জনকারী মো. রাকিব হাসানের বাংলাদেশি লাইসেন্স রূপান্তরের আবেদনটি রাশেদ সরকার অনলাইন সিস্টেমে বাতিল করে দেন। পরে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিনিময়ে তিনি ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। রকিব হাসানের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ‘বিএফসি’ রেস্টুরেন্টে ফাঁদ পাতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেখানে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হন রাশেদ সরকার।

​এই ঘটনায় ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক তাহসীন মোসাবিল হক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ জুন তদন্ত কর্মকর্তা জাহিদ কালাম আদালতে চার্জশিট জমা দেন এবং ২০২৩ সালের ৬ মার্চ এ মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। 

এনআর/জেডএস

বিজ্ঞাপন