বিজ্ঞাপন

বার কাউন্সিলের এডহক কমিটির প্রথম সভা, দায়িত্ব পেলেন যারা

বার কাউন্সিলের এডহক কমিটির প্রথম সভা, দায়িত্ব পেলেন যারা

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবগঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনকে বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিজস্ব ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)।

সভায় সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন সরকার, সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, অ্যাডভোকেট মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলী আসগর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, ল' রিফর্ম কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মাহফুজুর রহমান মিলন এবং হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মাসুদ আহমেদ তালুকদার নির্বাচিত হন।

এছাড়া হাউজ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মোহাম্মদ হোসেন লিপু, রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মোহাম্মদ শিশির মনির এবং কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিলেন্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নাসির উদ্দিন অসীমকে নির্বাচিত করা হয়।

সভায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নীতিগত সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কাউন্সিল সদস্যরা দায়িত্ব পালনকালে আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ট্রাভেল অ্যালাউন্স, সম্মানী, পারিতোষিক, যাতায়াত ভাতা কিংবা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না।

একইসঙ্গে বার কাউন্সিলকে আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে পূর্বে গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, অতীতে কোনো কাউন্সিল সদস্য আইনগত প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সেই অর্থ বার কাউন্সিলের কোষাগারে ফেরত দিতে বলা হবে।

এছাড়া বার কাউন্সিলের কোনো সভার আপ্যায়ন বাবদ তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সদস্যরা পর্যায়ক্রমে নিজ নিজ উদ্যোগে এ ব্যয় বহন করবেন।

সভায় সদস্যরা বার কাউন্সিলের রেস্ট হাউসের ইজারাদারের কাছে দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা আদায় না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে দ্রুত বকেয়া আদায়ের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

এডহক কমিটির সদস্যরা আইনজীবীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিয়মিত এনরোলমেন্ট ও হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং আইনজীবীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

ওএফএ/এমএন

বিজ্ঞাপন