বিজ্ঞাপন

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষ

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষ

১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে করা মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল।

এদিন আদালতে বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তর (কারিগরি) সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির তার জবানবন্দি দেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় তার পক্ষে সাক্ষীদের জেরা হয়নি। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালত ১৭ আগস্ট নতুন দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৩ মে একই আদালত এ মামলায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, সাবেক আইজি বেনজীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর থেকে আজ পর্যন্ত ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে চার্জশিট জমা দেন হাফিজুল ইসলাম।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। এতে মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে। বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় বাদে নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

এনআর/বিআরইউ