বাবা ছিলেন উচ্চ আদালতের বিচারপতি। ছোটবেলা থেকেই আদালত, আইনজীবীদের যুক্তি-তর্ক আর আইনের বইয়ের মধ্যেই বেড়ে ওঠা। বাবার হাত ধরেই আইনকে ভালোবাসতে শেখা। কিন্তু ব্যারিস্টারি পড়তে বিদেশে যাওয়ার পরই জীবনে নেমে আসে সবচেয়ে বড় আঘাত। প্রিয় বাবাকে হারানোর শোক বুকে নিয়েই শেষ করতে হয় কঠিন বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স। সেই দুঃসময়ে ভেঙে না পড়ে বাবার শেষ ইচ্ছাকেই নিজের শক্তিতে পরিণত করেন। তিনি ব্যারিস্টার জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। বাবা প্রয়াত বিচারপতি জ্যোতির্ময় নারায়ণ (জে এন) দেব চৌধুরী ছিলেন উচ্চ আদালতের বিচারপতি।
পরিবারের চার প্রজন্মের আইনচর্চার ঐতিহ্য বহন করে তিনিও বেছে নিয়েছেন একই পথ। ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করার পর দেশে ফিরে কোনো বিরতি না নিয়ে চেম্বারে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী সিনিয়র অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগীর জুনিয়র হিসেবে উচ্চ আদালতে আইন পেশা পরিচালনা করছেন।
তার বিশ্বাস, একজন আইনজীবীর শেখার কোনো শেষ নেই। তাই আদালতের প্রতিটি দিন, প্রতিটি মামলা এবং প্রতিটি শুনানিকে তিনি নতুন শেখার সুযোগ হিসেবে দেখেন।
জয়দীপ্তার স্বপ্ন শুধু সফল একজন আইনজীবী হওয়া নয়। বাবার মতো একজন দক্ষ সিভিল আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের দ্রুত আইনি প্রতিকার নিশ্চিত করা, আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার ইচ্ছাও রয়েছে তার। শৈশব, শিক্ষাজীবন, বাবাকে হারানোর বেদনাময় স্মৃতি, ব্যারিস্টারি পড়ার অভিজ্ঞতা, সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশার বাস্তবতা, নারী আইনজীবীদের চ্যালেঞ্জ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ নানা বিষয় নিয়ে জীবনের প্রথম দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে ঢাকা পোস্টের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন ব্যারিস্টার জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী।
ঢাকা পোস্ট: আপনার শৈশব ও পারিবারিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাই?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: আমার জন্ম ১৯৯৬ সালের ৫ নভেম্বর, ঢাকায়। আমি একটি আইনজীবী পরিবারে বড় হয়েছি। আমার বাবা প্রয়াত বিচারপতি জ্যোতির্ময় নারায়ণ দেব চৌধুরী এবং মা সংগীতা দেব চৌধুরী। আমরা দুই ভাইবোন; আমি বড়, আর আমার ছোট ভাই বর্তমানে এলএলবি দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছে।
শৈশব থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি মা আমাকে গান, নাচ ও চিত্রাঙ্কন শিখিয়েছেন। এখন বুঝতে পারি, কোনো দক্ষতাই বৃথা যায় না। গান শেখার কারণে আমার স্মরণশক্তি বেড়েছে, দ্রুত বিষয় বুঝতে ও শিখতে সুবিধা হয়।

ঢাকা পোস্ট: আপনার শিক্ষাজীবন এবং ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করার পথটি কেমন ছিল?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টিউটোরিয়াল (বিআটি) থেকে ও-লেভেল শেষ করি। এরপর লন্ডন কলেজ অব লিগ্যাল স্টাডিজ থেকে এ-লেভেল এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধীনে এলএলবি সম্পন্ন করি, যেখানে ২:১ (Second Class Upper) অর্জন করি।
এরপর যুক্তরাজ্যের সিটি ল স্কুলে বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স (বিপিটিসি) সম্পন্ন করি। ২০১৮ সালে দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিঙ্কনস ইন থেকে কল টু দ্য বার সম্পন্ন করি।
দেশে ফিরে কোনো বিরতি না নিয়ে চেম্বারে কাজ শুরু করি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইিউপি) থেকে এলএলএম, পরে যুক্তরাজ্যের নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ডিস্টিংশনসহ আরেকটি এলএলএম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করি। আমার বিশ্বাস, শেখার কোনো শেষ নেই।
ঢাকা পোস্ট: আইন পেশায় আসার অনুপ্রেরণা কোথায় থেকে পেয়েছেন?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী : সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আমার বাবা। ছোটবেলা থেকেই তাকে আদালতে যেতে দেখেছি। তার কাছ থেকে মামলার গল্প শুনতাম, আদালতে যেতাম, চেম্বারে বসতাম। তিনি ছোটবেলা থেকেই আমাকে ড্রাফটিং করতে উৎসাহ দিতেন।
আমাদের পরিবারে চার প্রজন্ম ধরে সবাই আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত। যতদূর জানি, বাংলাদেশে আমিই সম্ভবত চতুর্থ প্রজন্মের আইনজীবী। আমার পরদাদা, দাদা ও বাবা—তিনজনই আইনজীবী ছিলেন।
আমাদের পরিবারের আরেক গর্ব সিনিয়র অ্যাডভোকেট এস আর পাল। তার পরিচালিত ‘ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা বনাম জাকির আহমেদ’ মামলাটি বাংলাদেশের আইন ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি প্রতিষ্ঠায় এই মামলার ভূমিকা আজও স্মরণীয়।
ঢাকা পোস্ট: ব্যারিস্টারি পড়ার সময় আপনার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় কোনটি ছিল?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: ব্যারিস্টারি করতে লন্ডনে যাওয়ার সময় বাবার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। আমি যেতে চাইনি, কিন্তু বাবা বলেছিলেন—ঠিক সময়েই পড়াশোনা শেষ করতে হবে। কোর্স চলাকালে ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাবা মারা যান। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়। একদিকে বাবাকে হারানোর শোক, অন্যদিকে কঠিন কোর্স ও পরীক্ষা। ৪ জানুয়ারি ছিল আমার প্রথম পরীক্ষা। পরীক্ষার হলে বসে বারবার বাবার কথা মনে পড়ছিল। কিন্তু বাবার শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে আমি কোর্স শেষ করি। পরে ভালো ফলও করি। আজও মনে করি, এটি বাবার আশীর্বাদ ও পরিবারের সমর্থনের ফল।

ঢাকা পোস্ট: বাবার স্মৃতি আপনার জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: বাবা ছিলেন আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। সমাজের নানা নেতিবাচক মন্তব্য উপেক্ষা করে তিনি সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং কখনো অযথা চাপ দেননি। ব্যস্ত আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও তিনি পরিবারকে সময় দিতেন এবং আমার পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে পাশে ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর তার শূন্যতা আজও অনুভব করি। বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্টে কাজ করতে গিয়ে বাবার স্মৃতি আরও বেশি মনে পড়ে, কারণ এই কর্মস্থলটিকে আমি প্রথমে বাবার কর্মক্ষেত্র হিসেবেই চিনেছিলাম।
ঢাকা পোস্ট: ব্যারিস্টারি পড়ার সময় ‘ডিনার সেশন’ নিয়ে অনেকের কৌতূহল থাকে। সেখানে কী হয়?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী : অনেকেই মনে করেন এটি শুধু ডিনার। আসলে তা নয়। সেখানে লেকচার, পেশাগত আলোচনা এবং বিচারক, কিংস কাউন্সেল ও খ্যাতিমান আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ থাকে। আমরা তাদের অভিজ্ঞতা শুনি, পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলি এবং ডিনার এটিকেটও শিখি। আমি প্রায় ১২টি এমন সেশনে অংশ নিয়েছিলাম।
ঢাকা পোস্ট : হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: আমি ১ জুন ২০২৫ সালে হাইকোর্টে এনরোলড হই। তবে তার অনেক আগে, ৯ জুলাই ২০১৭ সালে সিনিয়র অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগীর চেম্বারে যোগ দিই। দীর্ঘদিন তার তত্ত্বাবধানে কাজ করায় আদালতে দাঁড়াতে খুব বেশি অসুবিধা হয়নি।
স্যার আমাকে হাতে-কলমে ড্রাফটিং, আইনি বিশ্লেষণ এবং অ্যাপিলেট ডিভিশনের বিভিন্ন জটিল বিষয় শিখিয়েছেন। সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল, রিভিউ, কনসাইজ স্টেটমেন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রস্তুত করতে তার কাছ থেকেই শিখেছি।
আমার প্রথম শুনানি ছিল একটি আরবিট্রেশন মামলায়। শুরুতে নার্ভাস লাগলেও আদালতে দাঁড়ানোর পর আত্মবিশ্বাস ফিরে পাই। শেষ পর্যন্ত মামলাটি আমাদের পক্ষে যায় এবং প্রতিপক্ষের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীও আমার উপস্থাপনার প্রশংসা করেন।
ঢাকা পোস্ট: আপনার সিনিয়র প্রবীর নিয়োগী সম্পর্কে কিছু বলুন।
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: প্রবীর নিয়োগী স্যার আমার কাছে শুধু সিনিয়র নন, একজন মেন্টর ও অভিভাবক। তিনি প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলামের জুনিয়র ছিলেন এবং তার সঙ্গে ‘The Law of Civil Procedure’ বইয়ের সহ-লেখক। পরে তিনি ‘The Law of Specific Relief’ গ্রন্থও রচনা করেন।
বাবার মৃত্যুর পর থেকে স্যার আমাকে যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, তা আমার পেশাগত জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। আদালতে তার সাবমিশন, আইনের ব্যাখ্যা ও আদালতকে বোঝানোর দক্ষতা থেকে প্রতিদিনই শেখার সুযোগ পাই।
ঢাকা পোস্ট: আদালতে এমন কোনো স্মরণীয় অভিজ্ঞতা আছে, যা আজও মনে পড়ে?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: একটি সিভিল রিভিশন মামলার শুনানিতে আদালতের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছিলাম। তখন বিচারপতি বলেছিলেন, যেহেতু আমি চতুর্থ প্রজন্মের আইনজীবী, তাই আমার প্রতি প্রত্যাশাও বেশি। শুনানি শেষে অনেক পরিচিত-অপরিচিত আইনজীবী এসে উৎসাহ দিয়েছেন। সেই দিনটি আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেয়।
ঢাকা পোস্ট: আপনার অনুপ্রেরণা বা রোল মডেল কারা?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: আন্তর্জাতিকভাবে রুথ ব্যাডার গিন্সবার্গ, লেডি হেল এবং মানবাধিকার আইনজীবী আমাল ক্লুনির কাজ আমাকে অনুপ্রাণিত করে।
বাংলাদেশে সাবেক বিচারপতি নাইমা হায়দারের বিচারিক প্রজ্ঞা ও কর্মদক্ষতা আমাকে মুগ্ধ করে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান নারী বিচারপতিরাও আমার অনুপ্রেরণা।নারী আইনজীবীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম এবং ব্যারিস্টার আনিতা গাজী রহমানের কাজ আমি অনুসরণ করি। বিশেষ করে আনিতা আপা ক্যারিয়ারের শুরুতে আমাকে অনেক উৎসাহ দিয়েছেন।
ঢাকা পোস্ট: আপনার প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততা কেমন?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: সকাল ১০টার মধ্যে আদালতে যাওয়ার চেষ্টা করি। কজলিস্ট দেখে দিনের শুনানির প্রস্তুতি নিই। আদালতের কার্যক্রম শেষে চেম্বারে গিয়ে ড্রাফটিং, গবেষণা ও অন্যান্য আইনি কাজ করি। শুক্রবার ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই আদালত বা চেম্বারের কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়।

ঢাকা পোস্ট: যারা আইন পড়তে চায় বা আইনজীবী হতে চায়, তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: আইন একটি কঠিন কিন্তু অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা। এখানে কোনো শর্টকাট নেই। সবসময় পড়তে হবে, শিখতে হবে এবং প্রতিটি মামলার ফাইল গভীরভাবে বুঝতে হবে। যত ভালো প্রস্তুতি থাকবে, আদালতে তত বেশি আত্মবিশ্বাস নিয়ে দাঁড়ানো যাবে। বিশেষ করে সিভিল প্র্যাকটিসে অনেক ধরনের আইন জানতে হয়। একজন ভালো আইনজীবীর দায়িত্ব শুধু নিজের মক্কেলের পক্ষে কথা বলা নয়, আদালতকে সঠিকভাবে আইনের সহায়তা করা। তাই এই পেশায় সফল হতে হলে নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং নিরন্তর শেখার মানসিকতার কোনো বিকল্প নেই।
ঢাকা পোস্ট: আইন পেশায় একজন নারী হিসেবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: আইন পেশা মোটেও নারী-সহায়ক নয়। একজন আইনজীবীকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। বিয়ে, সংসার ও সন্তান হওয়ার পর পেশাগত দায়িত্ব এবং পারিবারিক দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রাখা অনেক কঠিন হয়ে যায়। এছাড়া আদালতের পরিবেশ একটি পাবলিক স্পেস হওয়ায় নারী আইনজীবীদের নানা ধরনের সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। সুপ্রিম কোর্ট ও বার ভবনেও স্বাস্থ্যসম্মত ও নারী-বান্ধব ওয়াশরুমের অভাব রয়েছে, যা নারী আইনজীবীদের জন্য একটি বড় সমস্যা।
ঢাকা পোস্ট : আমরা জানি আপনি ভাল ছবি তোলেন। আপনার তোলা অনেক ছবি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ নিয়েছে। এ বিষয়ে বলুন?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: ছোটবেলা থেকেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া-আসার কারণে ভবনটির স্থাপত্য আমাকে মুগ্ধ করত। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আদালতের সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দি করতে শুরু করি এবং ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করি। পরে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষও আমার তোলা ছবি বিভিন্ন প্রকাশনায়, যেমন বার্ষিক প্রতিবেদন ও সুপ্রিম কোর্টের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত গ্রন্থে ব্যবহার করে এবং আমাকে যথাযথ কৃতিত্ব দেয়।
ঢাকা পোস্ট: আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী: ছোটবেলা থেকেই বাবাকে অনুসরণ করেছি। তাই তার মতো একজন দক্ষ সিভিল আইনজীবী হতে চাই। একই সঙ্গে আমার সিনিয়রের কাছ থেকে শেখা বিষয়গুলো কাজে লাগিয়ে নিজেকে আরও ভালো আইনজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ভবিষ্যতে আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন, দ্রুত বিচার এবং সাধারণ মানুষের দ্রুত আইনি প্রতিকার নিশ্চিত করার মতো নীতিগত বিষয়ে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে দেশও সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।
এমএইচডি/এসএম
