জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ২৪ আগস্ট ধার্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, প্রসিকিউটর জহিরুল আমিনসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
এদিন এ মামলায় প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনসহ সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।
এ মামলায় বর্তমানে গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন- চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ ও দেবাশীষ পাল দেবু। তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
হাছান মাহমুদসহ পলাতক অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।
এর আগে, ৩০ জুন ২২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৭ এপ্রিল তিন অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। ৫ এপ্রিল ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
মামলার প্রথম অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার দায় আনে প্রসিকিউশন। দ্বিতীয় অভিযোগে তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম, হৃদয় চন্দ্রকে হত্যা এবং তৃতীয় অভিযোগে জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা, আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহতের বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে।
এমআরআর/এমএসএ
