বিজ্ঞাপন

দুর্নীতির মামলায় এস আলম-পি কে হালদারদের বিরুদ্ধে আরও ৩ জনের সাক্ষ্য

দুর্নীতির মামলায় এস আলম-পি কে হালদারদের বিরুদ্ধে আরও ৩ জনের সাক্ষ্য

ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতি করে ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা মামলায় আরও তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। সাক্ষীরা হলেন- আভিভা ফাইনান্স লিমিটেডের এমডি ও সিইও মোহাম্মদ মোদাচ্ছের হাসান, যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের সহকারী নিবন্ধক অন্তত কুমার পাল এবং ডিপোজিট অপারেশনসের এভিপি এবং হেড অব সিআরএম মিদহাত আজিজ।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্ট্রেনোগ্রাফার সোহানুর রহমান বলেন, সাক্ষীদের মধ্যে মিদহাত আজিজের জেরা শেষ হয়েছে। অপর দুই জনের জেরা হয়নি। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দুই জনের জেরার দিন ঠিক করা হয়েছে। এ নিয়ে মামলাটিতে ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য হয়েছে।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

বিচার শুরু হওয়া অপর আসামিরা হলেন- এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস। এছাড়া রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লি.-এর (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তাদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আটক আছেন। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং নামক নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে বিতরণ করেন। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।

ওই ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ১৬ অক্টোবর মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। গত ১১ জানুয়ারি মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। ওইদিন মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এনআর/জেডএস

বিজ্ঞাপন