বিজ্ঞাপন

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগে মামলা

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগে মামলা

ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা শেষে এক আইনজীবীর ওপর হামলার ঘটনায় ১০ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভুক্তভোগী আইনজীবী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খান বাদী হয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে এ মামলার আবেদন করেন। 

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অভিযোগটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় এজাহার (এফআইআর) হিসেবে গণ্যের আদেশ দেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলা দায়েরের সময় ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম খান, সাবেক সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হাসান মুকুল, লাইব্রেরি সম্পাদক মাকসুদুল হাসান সবুজ বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

​মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন– উম্মে হাফসা তন্বী, হুমায়ুন কবির, মো. আশরাফুল আলম খান, মাহাবুব আলম খান, শাহাদাত হোসেন, জিদান, মো. মোহিবুল্লাহ, রায়হান, খালেদ সাইফুল্লা নাঈম ও আরমান হোসেন।

​মামলার বিবরণ থেকে, গত ২৫ আগস্ট বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাদী যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে শুনানি শেষ করেন। এরপর মক্কেলদের নিয়ে চেম্বারে ফেরার পথে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানার সামনে তাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়।

অভিযোগে বলা হয়, প্রথম চার আসামির মদদে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আইনজীবীকে হত্যার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ আক্রমণ চালায়। এ সময় তার মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়।

​আক্রান্তদের চিৎকারে আদালত প্রাঙ্গণে থাকা সাধারণ পথচারী ও আইনজীবীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় ৬ জনকে হাতেনাতে ধরে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

​পরবর্তী সময়ে আটক আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে পলাতক ব্যক্তিরা আরও ২০-২৫ জন অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসী নিয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ৩য় তলায় প্রবেশ করে পুনরায় অতর্কিত হামলা চালায় বলে উল্লেখ করা হয়।

এনআর/বিআরইউ

বিজ্ঞাপন