বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল চেয়ে রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল চেয়ে রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

দণ্ডবিধির ধারা ১২৪এ (রাষ্ট্রদ্রোহ) সংবিধানবিরোধী ও বাতিলযোগ্য ঘোষণা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

পরে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

এর আগে দণ্ডবিধির ধারা ১২৪এ (রাষ্ট্রদ্রোহ) সংবিধানবিরোধী ও বাতিলযোগ্য ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। এই আইনে বলা হয়েছে, ‘কোন ব্যক্তি যদি লিখিত বা উচ্চারিত কথা বা উক্তি দ্বারা অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান কোন প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশের আইনানুসারে বৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে।’

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে আবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রদ্রোহ আইন  নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়। সরকারের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহীতার আইনটি একটি ঔপনিবেশিক আমলের আইন, যা মূলত স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছিল এবং এটি একটি গণতান্ত্রিক সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, এই ধারা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, ২৬, ২৭, ৩১, ৩২ ও ৩৯ প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি। এ কারণে ধারা ১২৪এ-কে সংবিধানবিরোধী ও অকার্যকর ঘোষণা করে এ বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে।

এমএইচডি/জেডএস

বিজ্ঞাপন