সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা কমিয়ে জারিকৃত পরিপত্র বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে এ রিট দায়ের করেন।
আবেদনকারী ১০ জন হলেন— অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ সাদিক, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল হক, অ্যাডভোকেট যায়েদ বিন আমজাদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শানেওয়াস, অ্যাডভোকেট ছাব্বির রহমান, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষার্থী শামীম শাহিদী, মো. রাফিউল সাব্বির ও হাবিবুর রহমান আল হাসান। আবেদনে বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জারিকৃত পরিপত্র, যার স্মারক নম্বর ৪৪.০০.০০০০.০৪৪.০১.০১৪.২০২৫-৩৬১, বাতিলের প্রার্থনা করা হয়েছে। আবেদনকারীদের বক্তব্য, উক্ত পরিপত্র বিদ্যমান ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স এবং বাংলাদেশ বনাম আতাউর রহমান ও অন্যান্য মামলায় আপিল বিভাগের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এর আগে ২০২৫ সালের ২ মার্চ অনুরূপ একটি পরিপত্র জারি করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে সুয়োমোটো রুল নং ৩/২০২৫-এ তার কার্যকারিতা স্থগিত করেন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিবৃন্দ, অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ৯ মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে ঐ পরিপত্রটি বাতিল করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও নতুন পরিপত্র জারি করা বিচার বিভাগের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে। এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ক্ষমতার পৃথকীকরণ এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামো লঙ্ঘিত হয়েছে বলে আবেদনকারীরা দাবি করেছেন।
আবেদনকারীরা পরিপত্রটির কার্যকারিতা স্থগিত, তা আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা এবং পূর্ববর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়েছেন।
এমএইচডি/এমএন
