বিজ্ঞাপন

আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ হয়েছে, শতভাগ ফেক : মতিউর

আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ হয়েছে, শতভাগ ফেক : মতিউর

নিজের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের মামলায় তাকে কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ হয়েছে, শতভাগ ফেক। এই ফেক নিউজের রেজাল্ট কি আসে। প্রমাণ চাইলে শতভাগ প্রমাণ দিতে পারব। আমার আইনজীবীর কাছে সব প্রমাণ আছে।

এদিন প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে এই মামলার অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গেছেন উল্লেখ করে বিচারককে অবগত করা হয়। পরে বিষয়টি আমলে নিয়ে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীর সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ৫ জুলাই অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ হয়। পরে গত ৩ আগস্ট অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে- মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

২০২৪ সালে ‎কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। বলা হয়, তার বাবা এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান।

‎এরপর আলোচনা চলে মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কোথায় কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে এসব নিয়ে। এসব আলোচনার মধ্যে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে মতিউর পরিবারের বিপুল বিত্তবৈভবের চাঞ্চল্যকর তথ্য।

‎পরে ওই বছরের ৪ জুন মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধানে মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পায় দুদক। মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবার হিসাব ও শেয়ারবাজারের বিও হিসাব ক্রোক করা হয়।

এনআর/জেডএস

বিজ্ঞাপন